ঢাকা, মঙ্গলবার ৩০, জুন ২০২৬ ২:৪২:০০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

স্পেনে তৈরি হচ্ছে করোনার টিকা নিতে অনিচ্ছুকদের তালিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:০৬ পিএম, ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ মঙ্গলবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

করোনাভাইরাসের কারণে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত স্পেন। দেশটিতে এখন ফাইজারের টিকা দেয়া শুরু করেছে। গত সপ্তাহেই ইইউ সদস্য দেশগুলোর জন্য এ টিকার অনুমোদন দেয়া হয়।

স্পেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, যারা করোনার টিকা নিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করছে তাদের নাম নিবন্ধন করা হচ্ছে। এই তথ্য তারা ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে শেয়ার করবে।

দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সালভাদর ইলা বলেছেন, এই তালিকা সাধারণ জনগণ ও চাকরিদাতাদের কাছে উন্মুক্ত করা যাবে না।

তিনি বলেন, এই ভাইরাসকে পরাজিত করার উপায় হলো “আমাদের যত বেশি জনকে টিকা দেয়া হবে ততই ভালো”।

সোমবার লা সেক্সটা টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে ইলা জোর দিয়ে বলেন টিকা দান বাধ্যতামূলক না। তিনি বলেন, যেটা করা হবে সেটা হলো একটা নিবন্ধন করা। আমরা আমাদের ইউরোপিয়ান পার্টনারের সঙ্গে শেয়ার করবো যে এই সব মানুষদের টিকা নেওয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল কিন্তু তারা সেটা গ্রহণ করেনি। এটা জনসম্মুখে প্রকাশ করার জন্য কোন তথ্য-প্রমাণ না। পুরোটাই করা হবে তথ্য রক্ষার প্রতি পূর্ণাঙ্গ শ্রদ্ধা রেখে।

তিনি আরও বলেন, যাদের কে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল এবং তারা সেটা যেকোনো কারণেই হোক ফিরিয়ে দিয়েছে সেটা নিবন্ধনে উল্লেখ থাকবে।

সবশেষ হিসেব অনুযায়ী, স্পেনের প্রায় ২৮ শতাংশ নাগরিকেরা টিকা নিতে চান না। নভেম্বরে এই অনুপাত ছিল ৪৭%।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, যারা টিকা নিতে চান তাদের সঙ্গে আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করবে। যারা টিকা নিতে চান না আমরা মনে করি এটা একটা ভুল সিদ্ধান্ত কিন্তু তারপরেও এটা তাদের অধিকার। আমরা এই বিভ্রান্তি দুর করার চেষ্টা করছি। টিকা দেয়ার ফলে জীবন রক্ষা হবে।

স্পেন জুড়ে রাত ১১টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কারফিউ চালু রয়েছে যেটা চলবে মে মাসের শুরু পর্যন্ত। অনেক স্থানে মানুষজনকে শুধুমাত্র কাজ করতে, ওষুধ কিনতে এবং বৃদ্ধ ও শিশুদের যত্ন নেওয়ার জন্য বের হতে দেওয়া হচ্ছে। তবে আঞ্চলিক নেতারা কারফিউয়ের সময় পরিবর্তন করতে পারবেন, এমনকি সীমান্ত বন্ধ করে দিতে পারবেন।

এ দিকে সোমবারেই স্পেনে কোভিড-১৯ এ মারা যাওয়ার সংখ্যা ৫০ হাজার ছুঁয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে ১৮ লাখের বেশি মানুষ।

-জেডসি