করোনার দুই টিকার অনুমোদন দিলো ভারত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০১:২৮ পিএম, ৩ জানুয়ারি ২০২১ রবিবার
ছবি: ইন্টারনেট
ভারতের জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য করোনাভাইরাসের দুটি টিকার অনুমতি দিয়েছে ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া। অ্যাস্ট্রেজেনকা ও অক্সফোর্ডের তৈরি টিকা ও ভারত বায়োটেক নামের কোম্পানির তৈরি টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, আপাতত শর্তসাপেক্ষে ও জরুরি ভিত্তিতে এই ভ্যাকসিন সারা দেশে দেয়া হবে। খুব শীঘ্রই অক্সফোর্ডের কভিডশিল্ড এবং বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন পাওয়া যাবে। তবে এখনই সাধারণ মানুষ টিকা পাবেন না।
অক্সফোর্ডের টিকাটি ভারতে তৈরি করছে সিরাম ইন্সটিটিউট। এটি ছাড়াও ভারতের নিজস্ব টিকা কোভ্যাক্সিন এবং ফাইজারের টিকাও জরুরি ভিত্তিতে অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়েছিল।
অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার যে টিকাটি ভারতে সিরাম ইন্সটিটিউট তৈরি করছে, সেটি নিরাপদ কীনা তার পরীক্ষা ভারতে ১৬০০ লোকের মধ্যে চালানোর কথা ছিল। কিন্তু ঠিক কতজনের ওপরে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং কী তথ্য তা থেকে বেরিয়ে এসেছে, সেই গোপন তথ্য শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞ কমিটির কাছেই জমা দিয়েছে সিরাম ইন্সটিটিউট।
এত কম স্বেচ্ছাসেবকের ওপরে পরীক্ষা চালানোর পরেও তারা যে ছাড়পত্র পাওয়ার আবেদন করতে পেরেছে, তার কারণ যুক্তরাজ্যে ইতিমধ্যেই এটি ছাড়পত্র পেয়েছে এবং সেখানে তারা টিকাটির কার্যকারিতা নিয়ে যে তথ্য যুক্তরাজ্যের ওষুধ নিয়ন্ত্রকের কাছে জমা দিয়েছে, সেই একই তথ্য তারা প্রমাণ স্বরূপ ভারতেও জমা দিয়েছে।
শনিবার যে কোভ্যাক্সিন টিকাটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে, তার তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে। মোট ২৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের ওপরে তৃতীয় পর্যায়ের ‘এফিকেসি ট্রায়াল’ চলার কথা, কিন্তু গত সপ্তাহ পর্যন্ত স্বেচ্ছাসেবক নথিভুক্ত হয়েছেন ১৩ হাজারের মতো।
অনুমোদনের জন্য আবেদন জানিয়েছ ফাইজারও। তাদের টিকাটি যেন কোনও ট্রায়াল ছাড়াই ভারতে ছাড়পত্র দেয়া হয়, সেটির আবেদন জানিয়েছে ফাইজার। যুক্তি হিসাবে তারা বলছে, তাদের টিকাটি ইতিমধ্যেই বাজারে চলে এসেছে এবং মানুষকে দেয়াও হচ্ছে।
টিকাকরণের ক্ষেত্রে ডিসিজির অনুমোদনের পরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইট করে বিজ্ঞানী ও গবেষকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন। তিনি দেশবাসীকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন।
-জেডসি
