বাল্যবিবাহ রোধে ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক অঙ্গীকার গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশিত : ০৫:০০ এএম, ২৩ জুলাই ২০১৪ বুধবার | আপডেট: ০৫:৪০ এএম, ২৩ জুলাই ২০১৪ বুধবার
ডেস্কনিউজ, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা:
শুধু আইন প্রণয়ন করেই নয়, বাল্যবিবাহ দূর করতে শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে বিনিয়োগ প্রয়োজন। এছাড়া বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক অঙ্গীকারকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার লন্ডনের ওয়ালওয়র্থ একাডেমিতে অনুষ্ঠিত গার্ল সামিটে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, 'প্রথমত আমি মনে করি, বাল্যবিবাহের মতো সংবেদনশীল সামাজিক চ্যালেঞ্জ মো্কাবেলা করার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তিশালী ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক অঙ্গীকার।'
তিনি বলেন, বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর মতো ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের বাধা স্বত্ত্বেও ২০১১ সালে নারী উন্নয়ন নীতিমালা করেছে তার সরকার। শাস্তির বিধান রেখে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আইনও সংশোধনের কাজ চলছে।
তিনি বলেন, 'তবে শুধু আইন প্রণয়ন করেই বাল্যবিবাহ দূর করা যাবে না। এর জন্য শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে বিনিয়োগ প্রয়োজন।'
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য হল-প্রতিটি মেয়ে যথাযথ শিক্ষিত হবে এবং এরপর চাকরি করবে; যাতে নিজেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে-সে লক্ষ্যেই সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছি।'
তিনি বলেন, 'স্নাতক পাস নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো হচ্ছে। যার ফলে এখন দেশের প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকদের ৬০ শতাংশই নারী। তারা দৈনন্দিন জীবনযাপনে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে।'
শেখ হাসিনা বলেন, 'নারীর বিয়ের বয়স ন্যুনতম ১৮ বছর হলেও দুই দশক আগে বাংলাদেশের ৫২ শতাংশ নারীর বিয়ে হত ১৫ বছর বয়সের মধ্যে, বর্তমানে তা ১৭ শতাংশে নেমে এসেছে।'
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একটি অঙ্গীকারনামা উপস্থাপন করা হয় গার্ল সামিটে, যাতে বলা হয় ২০৪০ সালে বাংলাদেশ থেকে বাল্যবিবাহ নির্মূল হয়ে যাবে।
২৩.০৭.২০১৪ 