‘শিশু সমঅধিকার নিশ্চিত করে সুন্দর ভবিষ্যৎ নির্মাণ আমাদের লক্ষ্য’
বাসস
উইমেননিউজ২৪.কম
প্রকাশিত : ০৯:৩৬ পিএম, ১ অক্টোবর ২০১৭ রবিবার | আপডেট: ১০:১৪ পিএম, ১ অক্টোবর ২০১৭ রবিবার
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ফাইল ছবি)
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সকল শিশুর সমঅধিকার নিশ্চিত করে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। শিশুর শিক্ষা ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে স্কুল টিফিন, শিশুর জন্য নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ গড়ে তুলতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ ২০১৭’ উপলক্ষে আজ এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ২ অক্টোবর ‘বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ ২০১৭’ উদ্যাপন করা হচ্ছে দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘শিশু পেলে অধিকার, খুলবে নতুন বিশ্বদ্বার’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শিশুকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে ‘শিশু আইন’ প্রণয়ন করেন। বাংলাদেশ ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ ঘোষিত শিশু অধিকার সনদের অন্যতম অনুস্বাক্ষরকারী দেশ।
বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সাল থেকে বিগত সাড়ে আট বছরে শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিনোদন ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। জাতীয় শিশু নীতি ২০১১, জাতীয় শিশুশ্রম নিরসন নীতি ২০১০, শিশু আইন ২০১৩ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩ প্রণয়ন করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার পথশিশু, ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশু, বিদ্যালয় থেকে ঝরেপড়া ও প্রতিবন্ধী শিশুদের কল্যাণে আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে। পরিত্যক্ত শিশুদের সেবা ও ভাতা প্রদান, পথশিশুদের পুনর্বাসনসহ তাদের জীবনমান উন্নত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
শিশুর অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পিতা-মাতা, পরিবার ও সমাজের সকলের ভূমিকা অপরিসীম উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাসহ সকল সচেতন নাগরিককে শিশুদের কল্যাণে এগিয়ে আসতে হবে। শিশুর প্রতি সহিংস আচরণ এবং সকল ধরনের নির্যাতন বন্ধ করার জনা তিনি সমাজের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আজকের শিশুরাই আগামীতে দেশের নেতৃত্ব দেবে। তাই শিশুদের সকল প্রকার অধিকার নিশ্চিত করে তাদের শিক্ষিত ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে বিশ্বে আমরা উন্নত জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সক্ষম হব।
