ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৩, জুলাই ২০২৬ ৩:১২:৫৮ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

রোজার শেষ শুক্রবারে মার্কেটগুলো জমজমাট

প্রকাশিত : ০২:০৫ পিএম, ২৫ জুলাই ২০১৪ শুক্রবার | আপডেট: ০২:৪২ পিএম, ২৫ জুলাই ২০১৪ শুক্রবার

image_899_132738স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম ঢাকা : ম্যাগাসিটি ঢাকায় এখন ঈদের আমেজ। ঈদ এখন দোর গোড়ায়। এরই মধ্যে নাড়ির টানে গ্রামমুখী প্রচুর মানুষ রাজধানী ছেড়ে গেছেন। গতকাল থেকে ঢাকা শহর অনেকটাই ফাঁকা হয়ে গেছে। তারপরও রাজধানীর মার্কেগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। অনেকেই শেষ মূহুর্তে সেরে নিচ্ছেন প্রয়োজনীয় কেনাকাটা। আজ ঈদের আগের শেষ শুক্রবারে ক্রেতার আগমনে চাপাচাপি না থাকলেও মাকের্টগুলোতে ভিড় ছিলো বেশ ভালো। রাজধানীর বেশ কিছু মার্কেট, শপিং মল ও বুটিক হাউজ ঘুরে দেখা গেছে ঈদের কেনাকাটা চলছে হরদম। শেষ মুহুর্তের কেনাকাটায় স্যান্ডেল ও তৈরি পোশাকের দোকানে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দোকানীরা জানিয়েছেন, মার্কেটগুলোতে শেষ মুহুর্তে শাড়ি বিক্রি বেড়েছে। এতদিন পোশাক ও অন্যান্য পণ্য বিক্রি হলেও গতকাল শাড়ি বিক্রি হয়েছে বেশি। গাউছিয়া, চাঁদনিচক, ধানমন্ডি হকার্স, নিউ মার্কেটে গতকাল অনেক ভিড় দেখা গেছে। শেষ সময়ে কেউ নিছেন পছন্দের শাড়িটি। কেউ আবার দর্জির দোকান থেকে তুলে নিচ্ছেন তৈরি করতে দেয়া জামা। কেউ ঢুকছেন ইমিটেশন জুয়েলারির দোকানগুলোয়। পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে কিনে নিচ্ছেন হাতের চুড়ি, গলার মালা, টিপ, নুপুর আরো কত কি। কেউ ঢুকছেন তৈজসপত্রের দোকানে। অনেকেই ভিড় জমাচ্ছেন সোনার অলংকারের দোকানগুলোতে। রাজধানীর বিলাসবহুল বিপনী কেন্দ্রগুলো এবং বসুন্ধরা সিটিতে বিক্রি হয়েছে বেশ ভালো। মার্কেটের প্রতিটি লেভেলে ক্রেতার সমাগম দেখা গেছে। লেভেল সেভেনের দেশীদশে ছিলো সবচেয়ে বেশি ভিড়। ঈদের মাত্র এক দিন আগে পাঞ্জাবি, শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ সবই বিক্রি হয়েছে প্রচুর পরিমানে। রাজধানী ঘুরে দেখা গেছে তুলনামহৃলকভাবে ধানমন্ডির রাপা প্লাজা, এ আর প্লাজা, হাতিরপুলের ইস্টার্ণ প্লাজা, মালিবাগের টুইন টাওয়ার এবং কর্ণফুলি গার্ডেন সিটিতে ক্রেতা সমাগম হয়েছে বেশ। ব্যবসায়িরা বলছেন, এখন যারা মার্কেটে আসছে তারা কিনছেন। কারো হাতে আর ঘুরে ঘুরে দেখার সময় নেই। এখন যারা কেনাকাটা করতে আসছেন তাদের অধিকাংশই রাজধানীর স্থায়ী বাসিন্দা। এ্যালিফ্যান্ট রোডে গতকাল সব বয়সী ক্রেতার ভিড় ছিলো। সবচেয়ে ভিড় লক্ষ্য করা গেছে জুতা সেন্ডেলের দোকানগলোতে। হালে দেশীয় পোশাকের প্রতি মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে অনেক বেশি। গতকালও বিভিন্ন বুটিক হাউজ ঘুরে প্রচন্ড ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ছুটির দিনে বুটিক হাউজ আড়ংয়ের আসাদ গেট, মগবাজার ও গুলশান শাখায় আজ শুক্রবার বেচাকেনা চলেছে প্রচুর। রাজধানীর অন্যতম বুটিক হাউজ অন্য মেলা, রঙ, বাংলার মেলা, নারীমেলা, অঞ্জনস, নগরদোলা, আবর্তন, ওজি, প্রবর্তনা, অরণ্য, যাত্রাসহ এধরণের ফ্যাশন হাউজগুলোয় ক্রেতা সমাগম হয়েছে অনেক। কেউ কিনছেন দেশীয় ডিজাইনের শাড়ি। কেউ কিনছেন সালোয়ার-কামিজ বা পাঞ্জাবি আবার কেউবা নিচ্ছেন গিফট আইটেম। এদিকে গুলশানেও দেখা গেছে একই অবস্থ’া। আর্টিস্টি কালেকশন, কুমুদিনী, মায়াসির, রীনা লতিফস বুটিক, চন্দন, সরোবরসহ অধিকাংশ বুটিক হাউজে ক্রেতা ছিলো অনেক। অভিজাত এলাকার ধনাঢ্য পরিবারের সদস্যরা শুক্রবার শেষ সময়ে ভিড় জমিয়েছিলেন এসব বুটিক হাউজগুলোতে। এসব শপে ফিক্সড প্রাইজের কারণে ক্রেতা পছন্দ করছেন আর কিনছেন। ২৫.০৭.২০১৪