ঢাকা, শুক্রবার ০৩, জুলাই ২০২৬ ২২:৫২:৫১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

যশোর : তিন শিশুসহ জঙ্গি খাদিজা’র আত্মসমর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ০৯:০৩ পিএম, ৯ অক্টোবর ২০১৭ সোমবার | আপডেট: ০৯:৫৭ পিএম, ১০ অক্টোবর ২০১৭ মঙ্গলবার

অবশেষে যশোরে নিজের তিন শিশু সন্তানসহ খাদিজা আত্মসমর্পণ করেছেন। জেলার ঘোপ এলাকায় ঘিরে রাখা বাড়ি থেকে তিন শিশুসহ খাদিজা আত্মসমর্পণ করেন।  এ সময় সেখানে তার মা-বাবা উপস্থিত ছিলেন।

 

খাদিজা গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারীতে জঙ্গি হামলার অন্যতম হোতা জেএমবি নেতা নুরুল ইসলাম মারজানের বোন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
খাদিজার বাড়ি পাবনায়। তিনি স্বামীর সঙ্গে যশোরের ওই বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন।


যশোর জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো: আনিসুর রহমান জানান, সোয়াতের আহবানে সাড়া দিয়ে আজ বিকেল সোয়া তিনটার দিকে খাদিজা আত্মসমর্পণ করেন। এরপর পরই খাদিজা ও তার তিন সন্তানকে একটি মাইক্রোবাসে করে পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে ।


খাদিজা আত্মসমর্পণের পর বোমা নিষ্ক্রিয়কারি ইউনিটের সদস্যরা ওই বাড়ির ভেতরে তল্লাশী চালায়।


এর আগে বেলা পৌনে তিনটার দিকে খাদিজার বাবা-মাকে পাবনা থেকে শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের ঘিরে রাখা বাড়িটির সামনে আনা হয়। সকাল থেকেই পুলিশের পক্ষ থেকে খাদিজাকে আত্মসমর্পণের জন্য মাইকিং করা হয়। পরে খাদিজা পুলিশকে জানায়, মা-বাবার সামনে আত্মসমর্পণ করবেন তিনি। শর্ত অনুযায়ী, পাবনা থেকে তার মা-বাবাকে যশোর নিয়ে যাওয়া হয়। 


পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান জানান, খাদিজাকে আত্মসমর্পণে রাজি করাতেই তার বাবা-মাকে যশোরে আনা হয়। বর্তমানে তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন। আত্মসমর্পণের সময় খাদিজার স্বামী মশিউর রহমান বাসায় ছিলেন না। বর্তমানে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট বাড়িটিতে অনুসন্ধান চালাচ্ছে।  

 


এর আগে সকালে পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি দিদার আহম্মদ জানান, ওই ভবনটির একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকেন মশিয়ার রহমান নামে এক ব্যক্তি। তার স্ত্রীর নাম খাদিজা। তিনি মারজানের বোন বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।


তিনি বলেন, চারতলা বাড়িটির দোতলার একটি ফ্ল্যাটে জঙ্গি নেতা মারজানের বোন আছে।


সন্দেহভাজন ওই নারী তার স্বামী ও তিন সন্তান নিয়ে ফ্লাটটিতে থাকতেন। অভিযানের আগে বাড়িটি থেকে পাঁচটি পরিবারকে সরিয়ে নেয় পুলিশ।
মারজান গত ৬ জানুয়ারি রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।