করোনায় আরও ১৬ মৃত্যু, শনাক্ত ২১৮৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০৩:৩৮ পিএম, ১৮ মার্চ ২০২১ বৃহস্পতিবার
ছবি: সংগৃহীত
মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ১৬ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ৬২৪ জনে। এ সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরো দুই হাজার ১৮৭ জনের শরীরে। এতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৯৩৯ জন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংস্থার অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা: নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন আরো ১ হাজার ৫৩৪ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ১৭ হাজার ৫২৩ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের সরকারি-বেসরকারি ২১৯টি ল্যাবে ২০ হাজার ৯২৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৪৩ লাখ ৪৯ হাজার ১৯৪টি নমুনা।
এ পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৩ লাখ ১৯ হাজার ৮৭২টি। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হয়েছে ১০ লাখ ২৯ হাজার ৩২২টি।
গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার আরও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ছিল ১০ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৯৯ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ আর নারী ৪ জন। তাদের প্রত্যেকেই হাসপাতালে মারা গেছেন।
২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে মারা যাওয়া ১৬ জনের মধ্যে ১২ জনেরই বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ১ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এবং ৩ জনের বয়স ছিল ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে।
মৃতদের মধ্যে ১৩ জন ঢাকা বিভাগের, ১ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ১ জন খুলনা বিভাগের, ১ জন রাজশাহী বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।
দেশে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ৮ হাজার ৬২৪ জনের মধ্যে ৬ হাজার ৫২১ জনই পুরুষ এবং ২ হাজার ১০৩ জন নারী।
তাদের মধ্যে ৪ হাজার ৮১৭ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ২ হাজার ১৩১ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ৯৭৫ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ৪২৬ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, ১৭৩ জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে, ৬৫ জনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে এবং ৩৭ জনের বয়স ছিল ১০ বছরের কম ছিল।
তাদের ৪ হাজার ৮৪৫ জন ঢাকা বিভাগের, ১ হাজার ৫৮৭ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ৪৮৫ জন রাজশাহী বিভাগের, ৫৬৮ জন খুলনা বিভাগের, ২৬৩ জন বরিশাল বিভাগের, ৩১৩ জন সিলেট বিভাগের, ৩৬৬ জন রংপুর বিভাগের এবং ১৯৭ জন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।
জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বিশ্বে শনাক্তের দিক থেকে ৩৩ তম স্থানে আছে বাংলাদেশ, আর মৃতের সংখ্যায় রয়েছে ৪০তম অবস্থানে।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে গত ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম মৃত্যু হয়। এ বছর ২৩ জানুয়ারি সেই সংখ্যা আট হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে গত বছরের ৩০ জুন একদিনেই ৬৪ জন মারা যায়, যা একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।
-জেডসি
