ঢাকা, রবিবার ২৯, মার্চ ২০২৬ ৩:০৬:২৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

করোনা: যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলে কমেছে দৈনিক মৃত্যুহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:১৪ পিএম, ২৬ এপ্রিল ২০২১ সোমবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে যে কয়েকটি দেশ এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের দৌরাত্ম্যে বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম দুটি দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলে গত ২৪ ঘণ্টায় দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে করোনা পরিস্থিতির। দু’টি দেশেই দৈনিক মৃত্যুসংখ্যা অর্ধেকেরও নিচে নেমে এসেছে।

করোনায় আক্রান্ত, মৃত্যু ও সেরে ওঠা রোগীদের সংখ্যা সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য দেওয়া করোনাভাইরাস ওয়ার্ল্ডোমিটারের সোমবারের চার্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মারা গেছেন ২৭৩ জন, ব্রাজিলে মারা গেছেন ১ হাজার ৩১৬ জন।

একদিন আগে, রোববার যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় দৈনিক মৃতের সংখ্যা ছিল ৭৪২ জন; ব্রাজিলে এই সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৯৮৬ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ৩৪ হাজার ৭৩৬ জন। ব্রাজিলে এই সময়সীমায় নতুন আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২ হাজার ৫৭২ জনে।

এদিকে, গত একদিনের ব্যবধানে করোনায় দৈনিক আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসেবে শীর্ষে পৌঁছেছে ভারত। সোমবার ওয়ার্ল্ডোমিটারের চার্টে দেখা যায়, দেশটিতে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩১ জন, মারা গেছেন ২ হাজার ৮০৬ জন। রোববার ভারতে করোনায় মারা গিয়েছিলেন ২ হাজার ৭৬৭ জন করোনা রোগী।

বিশ্বজুড়ে বর্তমানে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৯৩ লাখ ৪১ হাজার ৩৪৪ জন। এদের মধ্যে ১ কোটি ৯২ লাখ ৩০ হাজার ৮৫৩ জন (৯৯ দশমিক ৪ শতাংশ) ভুগছেন মৃদু উপসর্গে, গুরুতর অবস্থায় আছেন ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯১ জন (দশমিক ৬ শতাংশ)।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম শনাক্ত হয় প্রাণঘাতী সার্স-কোভ-২ ভাইরাস, যা বিশ্বে সাধারণভাবে পরিচিতি পায় করোনাভাইরাস নামে। শনাক্ত হওয়ার তিন মাসের মধ্যে বিশ্বজুড়ে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ে এই ভাইরাসটি।

যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ যদিও অভিযোগ করে আসছে, চীনের গবেষণাগারে এই ভাইরাসটি কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে, তবে চীন বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, প্রাকৃতিকভাবেই আবির্ভাব ঘটেছে সার্স-কোভ-২ ভাইরাসটির।

গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে। ২০২০ সালের প্রথম সাত-আট মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যাপক আক্রান্ত ও মৃত্যুর পর ওই বছরের শেষ দিকে কিছুটা কমে এসেছিল করোনা সংক্রমণ। এর মধ্যে বিভিন্ন কোম্পানির করোনা প্রতিরোধী টিকা বাজারে এসে যাওয়ায় গণটিকাদান কর্মসূচিও শুরু করেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।

তবে গত মার্চ থেকে বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ফের ব্যাপকভাবে বাড়তে শুরু করেছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ পার করছে দক্ষিণ এশিয়া।

-জেডসি