ঢাকা, শনিবার ০৪, জুলাই ২০২৬ ১৪:০৫:০১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনদিবসে টিভিতে ‘হাসিনা: এ ডটার’স টেল

বাসস

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৪:৫০ পিএম, ১৫ মে ২০২১ শনিবার

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনদিবসে টিভিতে ‘হাসিনা: এ ডটার’স টেল

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনদিবসে টিভিতে ‘হাসিনা: এ ডটার’স টেল

আগামী ১৭ মে আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। এই দিবসকে ঘিরে দর্শক চাহিদা মেটাতে আরো একবার টিভি পর্দায় ফিরে এলো ডকুড্রামা ‘হাসিনা: এ ডটার’স টেল। 

সারা দেশে সিনেমা হলে এবং টেলিভিশনে দারুণ জনপ্রিয়তা পাওয়া এবং আন্তর্জাতিক বেশ কিছু চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসিত ‘হাসিনা: এ ডটার’স টেল’ ডকুড্রামাটি আগামী সোমবার ১৭ মে প্রচারিত হবে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডসহ বেশ কিছু বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে। সিআরআই-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে।

‘হাসিনা: এ ডটার’স টেল’ বাংলাদেশ টেলিভিশনে এবং বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচারিত হবে ১৭ মে দুপুর ৩টা ৩০ মিনিটে। একই দিনে বেসরকারি বিভিন্ন চ্যানেলেও সম্প্রচার করা হবে এই ডকুড্রামাটি।

স্টার সিনেপ্লেক্সে ১৫ নভেম্বর প্রিমিয়ার শো’র মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে ‘হাসিনা : এ ডটার’স টেল।’ দর্শকদের জন্য স্টার সিনেপ্লেক্সে, ব্লকবাস্টার সিনেমায়, মধুমিতা সিনেমা হল এবং সিলভার স্ক্রিনে প্রদর্শনী শুরু হওয়ার পর থেকে পরবর্তী দুই সপ্তাহে বক্স অফিসে সবচাইতে সফল ছিলো ডকুড্রামাটি। 

দর্শক চাহিদার কথা মাথায় রেখে পরবর্তীতে সারা দেশের জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের আরো ৩৫টি সিনেমা হলে প্রদর্শন করা হয় ‘হাসিনা: এ ডটার’স টে’’ ডকুড্রামা। সব মিলিয়ে দারুণভাবে ব্যবসায় সফল এটি। 

পরে দর্শক চাহিদার কথা বিবেচনায় এনে ডকুড্রামাটি টেলিভিশন চ্যানেলেও সম্প্রচার করা হয়। সেখানেই দর্শক জনপ্রিয়তা পায় ‘হাসিনা: এ ডটার’স টেল।’ 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজের মুখ থেকে তার বিদেশ জীবন, দেশে ফিরে আসার কথা শোনা যায় এই চলচ্চিত্র। স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের কথাও এখানে বর্ণনা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নয়, বরং এই ডকুড্রামার মূল উপজীব্য বিষয় ছিলো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

‘হাসিনা: এ ডটার’স টেল’ চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেছে সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন। প্রযোজক হচ্ছেন, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও নসরুল হামিদ বিপু। পরিচালনা করেছেন অ্যাপল বক্স ফিল্মসের পিপলু খান।

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহল আছে সবার। তিনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা। কিন্তু ১৯৭৫ সালের পর কিভাবে তিনি বেঁচে ছিলেন তার ইতিহাস অনেকের কাছেই অজানা। আর সে কারণেই সারা দেশে এই ডকুড্রামা সাড়া জাগিয়েছে। দেশে ও বিদেশে এখনো ডকুড্রামাটির চাহিদা রয়েছে বলে জানান এর পরিবেশক গাউসুল আজম শাওন।

‘ডকুড্রামায় একজন শেখ হাসিনার রান্না ঘর থেকে শুরু করে সরকার প্রধানের দায়িত্ব পালন, বেঁচে থাকার সংগ্রামসহ ব্যক্তিগত, পারিবারিক, রাজনৈতিক জীবনের নানা দিক ফুটে উঠেছে।’ -কথাগুলো বলেন ডকুড্রামাটির পরিচালক পিপলু খান। 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার ছোট বোন শেখ রেহানার জীবনের কথাও উঠে এসেছে এতে। এই ডকুড্রামার মধ্য দিয়ে একটি সত্যনিষ্ঠ জীবন প্রবাহকে পর্দায় হাজির করতে চেয়েছি।