ঢাকা, রবিবার ২২, মার্চ ২০২৬ ৫:২৬:২৫ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

জেবুন্নেছার বিরুদ্ধে ‘সুনির্দিষ্ট’ অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা: দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:২৮ পিএম, ২০ মে ২০২১ বৃহস্পতিবার

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী জেবুন্নেছা বেগম

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী জেবুন্নেছা বেগম

প্রথম আলোর সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে সচিবালয়ে আটকে রাখার ঘটনায় আলোচনায় আসা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী জেবুন্নেছা বেগমের বিরুদ্ধে ‘সুনির্দিষ্ট’ অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

আজ বৃহস্পতিবার সেগুনবাগিচায় দুদক প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে দুদক কমিশনার (তদন্ত) মো. জহুরুল হক এ কথা জানান।

কাজী জেবুন্নেছার ‘দুর্নীতি’ সংক্রান্ত যেসব অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আসছে- সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে জহুরুল বলেন, ‘কাজী জেবুন্নেছার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত ডকুমেন্টস থাকতে হবে। গরম অবস্থার মধ্যে নয়, ঠান্ডা অবস্থায় তদন্ত করতে হবে।’

সোমবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের এক কর্মকর্তার কক্ষে প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনাকে প্রায় ছয় ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। পরে রাতে তাকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়, অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট এবং দণ্ডবিধির কয়েকটি ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা করে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। সেই মামলায় এখন কারাগারে রয়েছেন এই সাংবাদিক।

রোজিনার বিরুদ্ধে সরকারি গোপন নথি ‘চুরির চেষ্টা’ এবং ‘ছবি তোলার’ অভিযোগ আনা হয়েছে, তবে তিনি কোনো অপরাধ করার কথা অস্বীকার করেছেন। বরং তাকে দীর্ঘ সময় আটকে রেখে হেনস্তা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে  তার পরিবার।

স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের জন্য রোজিনা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের আক্রোশের শিকার হয়েছেন বলে তার সহকর্মীদের অভিযোগ।

রোজিনাকে আটকে রাখার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব জেবুন্নেছা। ‘হেনস্তাকারী’ হিসেবে তার নাম উল্লেখের পাশাপাশি তাকেও ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ হিসেবে সোশাল মিডিয়ায় অনেকে চিহ্নিত করছেন।

এদিকে এ ঘটনা নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাদের বক্তব্য নিয়ে যে বিজ্ঞাপন দিয়েছে, তাতে সেখানে জেবুন্নেছার উপস্থিতির কথা স্বীকার করা হলেও তাকে নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় ‘বিভ্রান্তিকর ও অসত্য’ তথ্য প্রচার হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।