ঢাকা, শনিবার ২৮, মার্চ ২০২৬ ৬:১৬:১১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

আইএস নারীকে আইনের আওতায় আনলেন আমাল ক্লুনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৩০ পিএম, ২২ জুন ২০২১ মঙ্গলবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

একজন ইয়াজিদি মহিলাকে বন্দি এবং তাকে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে আইএস সদস্য এক মহিলাকে বিচারের মুখোমুখি করেছেন প্রখ্যাত মানবাধিকার কর্মী আমাল ক্লুনি। যে ইয়াজিদি মহিলার পক্ষে আদালতে দাড়িয়েছেন ক্লুনি, তিনি ১৪ বছর বয়সে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হাতে বন্দী হয়েছিলেন এবং তাকে দাস বানানো হয়েছিল।

ডেইলি মেইলের খবরে বলা হয়েছে, ওই নারীকে অপহরণকারীদের একজন হলেন আলজেরিয়ান মহিলা। যিনি ‘সারা ও’ নামে পরিচিত। অপরজন হলেন তার স্বামী ‘ইসলামাইল এস’। তিনি জার্মান তুর্কি নাগরিক।

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ‘সারা ও’ তুরস্কে গ্রেফতার হয়েছিলেন। সাত মাস কারাগারে থাকার পর তাকে জার্মানিতে পাঠানো হয়েছিল এবং তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছিল।

গত বুধবার নতুন করে ওই মামলার শোনানী শেষে রায় দেয়া হয়েছে। যেখানে সারা ও’কে সাড়ে ৬ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এই সময়টা তিনি জার্মানির কারাগারে থাকবেন।

তাকে বিদেশী সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ, অন্যকে লাঞ্চনা, স্বাধীনতা বাঞ্চিত করা, ধর্ষণে সহযোগিতা, দাস বানানো, ধর্মীয় ও লিঙ্গ ভিত্তিক মানবতা বিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত।

ইরাক ও সিরিয়ায় তথাকথিত খেলাফত প্রসারিত করার লক্ষ্যে ২০১৫ সাল থেকে এই দম্পতি ইয়াজিদি মহিলা ও মেয়েদের দাস বানানোর কাজে সম্পৃক্ত ছিলেন।

দুই বছরের বেশ সময়ে সারা ও ইসমাইল দম্পতি সাতজন ইয়াজিদি মহিলাকে দাস বানিয়ে ছিলেন। যাদের কয়েক জনকে অন্যের কাছে বিক্রি করা হয়েছিল। এরমধ্যে ১৪ বছর বয়সী এক মেয়ে বন্দী অবস্থায় মারা গেছে।

আমাল ক্লুনি এর আগেও ইয়াজিদি মহিলাদের পক্ষে কাজ করছেন। বুধবার ডুসেল্ডর্ফ কোর্টে ইয়াজিদি মহিলাদের প্রতিনিধিত্বকারী ক্লুনির অন্যতম সহকারি নাটালি ভন উইস্টিংহসহ বলেছেন, প্রথমবারের মতো, একটি আদালত ধর্মীয় এবং লিঙ্গ-ভিত্তিক নির্যাতনের জন্য একটি দোষী সাব্যস্ত করেছে এবং আমাদের স্বীকৃত এবং সমস্ত ইয়াজিদি মহিলাদের জন্য এই স্বীকৃতি চূড়ান্তভাবে গুরুত্বপূর্ণ।


-জেডসি