ঢাকা, রবিবার ০৮, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৭:৫৩:১৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

দুই সন্তানকে রাস্তায় ফেলে প্রেমিকের সঙ্গে পালালেন মা

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:১১ এএম, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ বৃহস্পতিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

যশোরের চৌগাছায় দাম্পত্য কলহের জেরে ৫ বছর ও ২০ মাস বয়সী দুই শিশুকে হাসপাতালের সামনের একটি সড়কে ফেলে মা সাগরী খাতুন পালিয়ে গেছেন। বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাইকেল গ্যারেজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পরে দুপুরে থানার পুলিশ শিশু দুটিকে উদ্ধার করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে।

উদ্ধার হওয়া সাফিন (৫) ও জুলেখা (২০ মাস) বয়সী দুই শিশু উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের হায়াতপুর গ্রামের আক্তারুল ইসলাম ও সাগরী দম্পতির সন্তান।

শিশু দুটির বাবা আক্তারুল ইসলাম জানান, গত ২৬ সেপ্টেম্বর সাগরী বাচ্চা দুটিকে নিয়ে সবার অগোচরে বাড়ি থেকে বের হন। যাওয়ার সময় নগদ ২০ হাজার টাকা ও তার জামাকাপড় নিয়ে যান। এরপর থেকে তাদের পাওয়া যাচ্ছিল না। খোঁজাখুঁজি করেও স্ত্রী-সন্তানদের না পেয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর এ ঘটনায় চৌগাছা থানায় একটি জিডি করেন। বুধবার দুপুরে পুলিশের খবর পেয়ে দেখি হাসপাতালের সাইকেল গ্যারেজ এলাকায় আমার সন্তান দুটি কাঁদছে। কিন্তু আশপাশে তাদের মা সাগরী নেই।

সন্তানদের ফিরে পেয়ে আক্তারুল বলেন, আমার স্ত্রী এক ব্যক্তির সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলত। এ নিয়ে একদিন তাকে মারধরও করি। সে প্রায়ই আমাকে ছেড়ে চলে যাবে বলে শাসাত। এখন মনে হয় ওই যুবকের সঙ্গেই পালিয়েছে সে। বউ পালিয়ে গেলেও আমার সন্তান দুটি পেয়ে আমি খুব খুশি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার বলেন, সকালে হাসপাতালের সাইকেল গ্যারেজের পাশে কান্না করছিল শিশু দুটি। পরে গ্যারেজের দায়িত্বে থাকা মফিজুর তা দেখতে পেয়ে আমাকে খবর দেয়। প্রথমে ভেবেছিলাম তাদের মা হয়তো বসিয়ে রেখে ডাক্তার দেখাতে গেছেন। পরে তারা কান্নাকাটি করছিল। একপর্যায়ে তারা ঠিকানা বললে থানায় জানাই। পরে পুলিশ তাদের বাবার কাছে তুলে দেয়।

চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সবুজ বলেন, হাসপাতাল থেকে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে শিশু দুটিকে উদ্ধার করা হয়। এর আগে দুটি সন্তান ও স্ত্রী নিখোঁজ বলে চৌগাছা থানায় একটি জিডি করেন আক্তারুল ইসলাম। শিশু দুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে দুপুরে তাদের বাবার কাছে হস্তান্তর কর হয়েছে।