ছাত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে শিক্ষকসহ গ্রেপ্তার ৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ১০:৫৩ এএম, ১ অক্টোবর ২০২১ শুক্রবার
ফাইল ছবি
নাটোর সদরের উলুপুরে মাদ্রাসায় রান্নার পর গরম ভাতের মাড়ে পুড়ে যাওয়া ছাত্রী ইয়াসমিন খাতুনকে (১১) ঘরে আটকে রাখার অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষক, তার স্ত্রীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকালে মাদ্রাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
নাটোর সদর থানার ওসি (তদন্ত) আবু সাদাদ জানান, সদর উপজেলার চর লক্ষিকোল গ্রামের ইমরান ইসলামের ১১ বছরের শিশু কন্যা ইয়াসমিন হাফেজি পড়ার জন্য পার্শ্ববর্তী উলুপুর এলাকার তালেমুন নিছা হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হয়।
মাদ্রাসা প্রধান সোহরাব ও তার স্ত্রী সালমা বেগম ইয়াসমিনসহ অন্য শিশু শিক্ষার্থীদের দিয়ে গৃহকর্মীর মত কাজ করাতো এবং কথায় কথায় শারীরিক নির্যাতন চালাতো।
গত শুক্রবার (২৪শে সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার আগে ইয়াসমিন ভাত রান্না করে পাতিল নিয়ে ঘরে ঢোকার সময় পড়ে যায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সোহবার হোসেন ও তার স্ত্রী সালমা বেগম তার মেয়েকে ধাক্কা দিয়ে গরম ভাত ও ভাতের মাড়ের ওপর ফেলে দেন। এতে ইয়াসমিনের শরীরের বিভিন্ন স্থান ঝলসে যায়।
এ ঘটনার পর সোহবার হোসেন ও তার স্ত্রী সালমা বেগম আহত ছাত্রীকে হাসপাতালে না নিয়ে বাড়িতে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে গতকাল বুধবার ইয়াসমিনের পিতা ও স্বজনরা মাদ্রাসায় গিয়ে তালা ভেঙে ইয়াসমিনকে উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় মাদ্রাসা প্রধান সোহরাব ও তার স্ত্রী সালমা বেগমসহ তিন শিক্ষককে অভিযুক্ত করে বৃহস্পতিবার রাতে থানায় মামলা দায়ের করেন শিশু কন্যা ইয়াসমিনের বাবা ইমরান ইসলাম।
