ঢাকা, বুধবার ২৪, জুন ২০২৬ ১:৫১:২২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

দিনে ৫-৬ বার মৃত স্বামীর ছাই খান যে নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:৫৫ এএম, ২৩ অক্টোবর ২০২১ শনিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

স্বামী মারা গেছেন বেশ কিছুদিন আগে। শেষকৃত্যও সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু তারপরও স্বামীর ছাই সঙ্গে নিয়ে ঘুরছেন এক বিধবা নারী। শুধু সঙ্গে নিয়ে ঘোরা নয়, মাঝেমধ্যে সেই ছাই খাচ্ছেনও তিনি! তাও একবার নয়, দিনে ৫ থেকে ৬ বার। হ্যাঁ, শুনতে অবাক লাগলেও এটিই সত্যি।

সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য মিরর-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বিধবা ওই নারীর নাম ক্যাসি। ২৬ বছর বয়সী ক্যাসি ব্রিটেনের নাগরিক হলেও বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা। ২০০৯ সালে মার্কিন নাগরিক সিয়ানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

শ্বাসকষ্টজনিত অসুখে কিছুদিন আগে সিয়ান মারা যান। রীতি অনুযায়ী সিয়ানের মৃতদেহ সমাধিস্থ না করে দাহ করান ক্যাসি। পরে প্যাকেটে ভরে রাখেন স্বামী সিয়ানের চিতাভস্ম বা ছাই।

সেই থেকে প্রতিদিন ‘নিয়ম করে’ সেই ছাই খেয়ে চলেছেন ক্যাসি। তিনি জানান, প্রথমে স্বামীর মৃতদেহ পোড়ানো ছাইয়ের ওজন ছিল প্রায় ৬ কেজি। কিন্তু এখন তা পাঁচ কেজিরও কম হয়ে গেছে। এ ভাবে চলতে থাকলে কিছুদিনের মধ্যেই আর কিছু অবশিষ্ট থাকবে না বলে মার্কিন একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

তা হলে তিনি কেন এমন করছেন? ক্যাসির জবাব, ‘আমি খুব লজ্জিত। কিন্তু নিজেকে সংযত রাখতে পারি না। আসলে সব সময়ই আমি সিয়ানকে সঙ্গে রাখতে চাই।

সাক্ষাৎকারে ক্যাসি আরও জানান, ‘আমি যেখানেই যাই, সেখানেই ওর অস্থি আমার সঙ্গে নিয়ে যাই। তা সেটা গ্রোসারি স্টোরস, শপিং মল, সিনেমা হল কিংবা কোথাও খাবার খেতে যাওয়া হোক না কেন! সব জায়গায় ও আমার সঙ্গে থাকে।’

অনেকেই প্রশ্ন করেন, এভাবে দিনের পর দিন মৃতদেহ পোড়ানো ছাই খাওয়া কীভাবে সম্ভব। সাক্ষাৎকারে সেই বিষয়টিও জানিয়ে দেন তিনি। ক্যাসি জানান, বেশি নয়, তিনি দিনে ৫-৬ বার আঙুলে একটু ছাই তুলে নিয়ে সেটি খান। কিন্তু কোনোভাবেই তা বন্ধ করতে বা নিজেকে আটকাতে পারেন না তিনি।

ক্যাসির দাবি, ‘ছাইয়ের কৌটোটি খুলতেই তিনি অনাবিল আনন্দ পান। আর যত ছাই খাই, ততই আনন্দিত হই।’

তবে সবার কাছে অদ্ভূত এই খবরটি তো আর আনন্দের না। আর তাই স্বামীর মৃতদেহ পোড়ানো ছাই খাওয়ার ঘটনা জানাজানির পরে মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে ক্যাসিকে।