ঢাকা, শনিবার ২৪, অক্টোবর ২০২৬ ৫:৪৮:২২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

কুমিল্লায় জমে উঠেছে শীতের কাপড়ের বাজার  

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৬:৫৪ এএম, ২২ ডিসেম্বর ২০২১ বুধবার

কুমিল্লায় জমে উঠেছে শীতের কাপড়ের বাজার  

কুমিল্লায় জমে উঠেছে শীতের কাপড়ের বাজার  

কুমিল্লা শহরে শীতের কাপড়ের বাজার বেশ জমে উঠেছে। শীত নিবারণের হাজারো পোশাকে বাজার এখন সয়লাব। শপিং মল বা রাস্তার পাশের ফুটপাতগুলোতে অনেক ক্রেতাই সাধ্যের মধ্যে শীতবস্ত্র কিনতে ভিড়ও করছেন। পুরোনো ও নতুন দু ধরনের কাপড়ই ব্যাপক বিক্রি হচ্ছে।

রেইসকোর্স থেকে শুরু করে কান্দিরপাড়, টমছম ব্রিজ রোডের সব জায়গায় শীতবস্ত্রের পসরা সাজিয়ে বসে থাকতে দেখা যায় বিক্রেতাদের। রয়েছে ফুলপ্যান্ট, ফুলহাতা গেঞ্জি, জ্যাকেট, মাফলার, হাতমোজা, পা মোজা, টুপি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ও দামের কম্বল। 

রেইসকোর্স এলাকার ইর্স্টান ইয়াকুব প্লাজায় রয়েছে বিভিন্ন দামের শীতের পোশাক। সেখানকার ব্যবস্থাপক ওমর ফারুক  বলেন, শীতের সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন পোশাক হুডিতে রয়েছে বিশেষ ছাড়। এছাড়াও অন্যান্য শীতপোশাকের পরও রয়েছে বিভিন্ন মাত্রায় মূল্যছাড়। 

অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই তাদের শোরুমে শীতকালীন পোশাক আসা শুরু হয়েছে বলে জানান। 

তিনি বলেন, গত কয়েকদিনে হাঁড়কাপানো শীত পড়ায়, ক্রেতার সংখ্যা বেড়েছে। প্রতিদিন গড়ে পচিশ থেকে ত্রিশ হাজার টাকার পোশাক বিক্রি হয়। বঙ্গবাজার ও গুলিস্তান ট্রেড সেন্টার থেকে এই পোশাকের সংগ্রহ আসে বলে জানান তিনি। নানা ধরনের শীতবস্ত্রের পাশাপাশি শীতের আনুষঙ্গিক হিসেবে চাহিদা রয়েছে হাতমোজা, পা মোজাসহ বিভিন্ন ধরনের টুপির। 

মার্কেট ঘুরে শীতের পোশাক কেনার পর টুপি-মোজার দোকানে এসেছিলেন ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী তাসপ্রিয়া। তিনি বাসসকে বলেন, ভাই-বোন আর নিজের জন্য শীতের কাপড় কিনলাম। 

কুমিল্লা খন্দকার ম্যানশনে শীতের নানা ধরনের পোশাক রয়েছে। ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে আট-নয় হাজার টাকা দামের পোশাকও পাওয়া যায় এখানে। এ দোকানে কর্মরত মনির হোসেন বলেন, শীত ছাড়া অন্য মওসুমে যারা দেশের বাইরে যায়, তারা এখান থেকে গরম কাপড় কেনে। শীতকালে বেশি ভিড় হয় এখানে। 

কুমিল্লা হকার্স মাকের্টে নিজের স্বল্প পুঁজি নিয়ে কামরুল ইসলাম নামের পঞ্চাশর্ধ্ব এক বৃদ্ধের মাফলারের দোকানে। প্রতিটি রুমাল কিংবা ছোট মাফলার ৩০ টাকা করে বিক্রি করছেন তিনি। নিম্নবিত্ত কিংবা দারিদ্র্যসীমারও নিচে বসবাস করছে এমন ক্রেতাদের জন্যই এই পসরা সাজানো হয়েছে।