ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৬, জুলাই ২০২৬ ১৭:০৫:০৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিলো : দীপু মনি

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ০৭:৫৩ পিএম, ২ জানুয়ারি ২০১৮ মঙ্গলবার | আপডেট: ০১:০৯ পিএম, ৩ জানুয়ারি ২০১৮ বুধবার

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ইসলামের কথা বলে মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান অস্বীকার ও মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল।

 

তিনি বলেন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্তিযুদ্ধের সময় যেমন পাকিস্তানের দোসর ছিলেন, এখনও তিনি সে দেশেরই দোসর হিসেবে কাজ করছেন।

 

আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ‘ মুক্তিযুদ্ধে নারীর ভূমিকা ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

 

দীপু মনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে নারীদের ভূমিকা ছিলো স্মরণীয়। তবে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে মুক্তি নারীর অবদান মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে নারীর সাহসী ভূমিকাকে প্রধান্য দেওয়া হয়নি। শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতা এসে নারী মুক্তিযোদ্ধাদের সব সুযোগ সুবিধা ও প্রাপ্য সম্মান দিয়েছে।

 


ডা. দীপু মনি  বলেন, খালেদা জিয়া স্বাধীনতা বিরোধীদের মন্ত্রী বানিয়েছিলে। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া জাতীয় পতাকা তাদের গাড়ীতে তুলে দিয়েছিলেন। যুদ্ধাপরাধের মামলার প্রতিটি রায়ের সময় হরতালের ডাক দিয়েছিলেন।

 


তিনি বলেন, নারীর এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিরোধ, বাধার দেয়াল তুলবেন না। তাহলে দেশ পিছিয়ে যাবে। নারী-পুরুষের অবদানে একটি দেশ এগিয়ে যায়। নারীর পথের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে। তাহলে যে নারী মুক্তিযুদ্ধ স্বাধীনতা আন্দোলনে অবদান রেখেছে সে নারী দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে অবদান রাখবে।

 

দীপু মনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা হিসেবে মহান মুক্তিযুদ্ধ খুব কাছে থেকে প্রত্যক্ষ করেছেন। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বঙ্গবন্ধুকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত করেছেন।

 


তিনি বলেন, সে জন্যই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের সবচেয়ে বেশি সম্মানিত করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকেই তিনি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।


ডা. দীপুমনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তথাকথিত যে ধর্মীয় দলগুলোকে নিয়ে জোট করেছেন তারা ইসলামের কোন কথা বলে না। কিভাবে দেশের নারী সমাজকে অবরুদ্ধ রেখে নারী সমাজকে অন্ধকারে রাখা যায় সেই কথা বলে।

 


তিনি আরো বলেন, দেশে জঙ্গবাদী অপশক্তি ক্ষমতায় এলে নারী সমাজ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর তাই মুক্তিযুদ্ধে চেতনাকে অনুপ্রেরণা হিসেবে গ্রহণ আগামী নির্বাচনে নারী সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করতে হবে।

 

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা হালিমা আক্তার লাবন্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন ও জাতীয় মহিলা সংস্থার সভাপতি মমতাজ বেগম।