চলে গেলেন ‘ইরানের সিংহী’ কবি সিমিন বেহবাহানি
প্রকাশিত : ০৭:৫৭ এএম, ২৫ আগস্ট ২০১৪ সোমবার | আপডেট: ০৫:১৩ এএম, ৩১ আগস্ট ২০১৪ রবিবার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : চলে গেলেন ‘ইরানের সিংহী’ কবি সিমিন বেহবাহানি। গত ১৯ আগস্ট, মঙ্গলবার তার মৃত্যুসংবাদ ইরানসহ একাধিক আ্তর্জাতিক গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছেন এবং ২২ আগস্ট শুক্রবার, বেহেস্ত-ই জাহারায় তার মরদেহ সমাধিস্থ করা হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। বহু পুরস্কারে পুরস্কৃত ও সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে যার সাহসী উচ্চারণ জনমনে বাড়তি শক্তির এক নিরবিচ্ছিন্ন প্রবাহ সচল রেখেছিলেন এবং যার লেখনির আঙ্গিক তাকে ‘ইরানের সিংহী’ নামে সর্বত্র পরিচয় করিয়ে দিয়েছে তিনি কবি সিমিন বেহবাহানি।
ইরানের এক সাহিত্যমনা পরিবারে সিমিনের জন্ম ১৯২৭ সালে। তার বাবা আব্বাস খলিলি ছিলেন লেখক ও সাংবাদিক। তার মা ফোখর ওজমা আরঘুন ছিলেন একাধারে সাংবাদিক, শিক্ষক, এবং নারীবাদী লেখক ও কবি। সিমিন তার চোদ্দ বছর বয়স থেকেই লেখালেখি শুরু করেন। তিনি লেখালেখির শুরুতে পার্সিয়ান কবি নিমার চার পঙক্তিয় কবিতার আদলে লিখতে শুরু করেন পরবর্তীতে তা পরিবর্তিত হয়ে পরিণত হয় গজলে। এর পাশাপাশি সিমিন পাশ্চাত্য ধারায় সনেটও লিখছেন। শুরুর দিকে তিনি বিভিন্ন ধারায় লিখে থাকলেও সময়ের সাথে সাথে লেখায় স্বতন্ত্রতা চলে আসে। তৈরি করে নিজস্ব পথ, যা পার্সি সাহিত্যে উল্লেখযোগ্য মাত্রা যুক্ত করে উনিশ শতকের সাহিত্য চর্চায়।
২০০৬ সালে ইরানী প্রশাসন সিমিনের কবিতা ছাপানোর কারণে এক বিরোধিীদলীয় পত্রিকা বন্ধ করে দেয়। সিমিনের কবিতায় রাষ্ট্রদ্রোহিতার আভাস ছিল অভিযোগ করেছিল সরকার। এছাড়া পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে তার বিদেশ গমনে বাধা এসেছে। সিমিন বেহবাহানি দুই বার সাহিত্যে নোবেল মনোনীতের তালিকায় ছিলেন।
সিমিন তার জীবদ্দশায় লিখেছেন ৬০০’র অধিক কবিতা, যা প্রকাশিত হয়েছে ২০টি বইয়ে পাতায়। তার কবিতা ভূমিকম্পের মতো আচমকা কম্পন সৃষ্টি করেছে পাঠকের মগজে, লিখেছেন যুদ্ধ, বিপ্লব, দরিদ্রতা, পতিতাবৃত্তি নিয়ে। তার কবিতা গণমানুষের ভাষায় পরিণত হয়েছিলো বলেই মানুষের হৃদয়ের কাছাকাছি পৌঁছুতে পেরেছিলেন তিনি।
২৫.০৮.২০১৪
ইরানের এক সাহিত্যমনা পরিবারে সিমিনের জন্ম ১৯২৭ সালে। তার বাবা আব্বাস খলিলি ছিলেন লেখক ও সাংবাদিক। তার মা ফোখর ওজমা আরঘুন ছিলেন একাধারে সাংবাদিক, শিক্ষক, এবং নারীবাদী লেখক ও কবি। সিমিন তার চোদ্দ বছর বয়স থেকেই লেখালেখি শুরু করেন। তিনি লেখালেখির শুরুতে পার্সিয়ান কবি নিমার চার পঙক্তিয় কবিতার আদলে লিখতে শুরু করেন পরবর্তীতে তা পরিবর্তিত হয়ে পরিণত হয় গজলে। এর পাশাপাশি সিমিন পাশ্চাত্য ধারায় সনেটও লিখছেন। শুরুর দিকে তিনি বিভিন্ন ধারায় লিখে থাকলেও সময়ের সাথে সাথে লেখায় স্বতন্ত্রতা চলে আসে। তৈরি করে নিজস্ব পথ, যা পার্সি সাহিত্যে উল্লেখযোগ্য মাত্রা যুক্ত করে উনিশ শতকের সাহিত্য চর্চায়।
২০০৬ সালে ইরানী প্রশাসন সিমিনের কবিতা ছাপানোর কারণে এক বিরোধিীদলীয় পত্রিকা বন্ধ করে দেয়। সিমিনের কবিতায় রাষ্ট্রদ্রোহিতার আভাস ছিল অভিযোগ করেছিল সরকার। এছাড়া পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে তার বিদেশ গমনে বাধা এসেছে। সিমিন বেহবাহানি দুই বার সাহিত্যে নোবেল মনোনীতের তালিকায় ছিলেন।
সিমিন তার জীবদ্দশায় লিখেছেন ৬০০’র অধিক কবিতা, যা প্রকাশিত হয়েছে ২০টি বইয়ে পাতায়। তার কবিতা ভূমিকম্পের মতো আচমকা কম্পন সৃষ্টি করেছে পাঠকের মগজে, লিখেছেন যুদ্ধ, বিপ্লব, দরিদ্রতা, পতিতাবৃত্তি নিয়ে। তার কবিতা গণমানুষের ভাষায় পরিণত হয়েছিলো বলেই মানুষের হৃদয়ের কাছাকাছি পৌঁছুতে পেরেছিলেন তিনি।
২৫.০৮.২০১৪
