ঢাকা, বুধবার ২২, জুলাই ২০২৬ ২৩:০৩:২৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক প্রাচীনঃ সিআরআই এর অনুষ্ঠানে বক্তারা

প্রকাশিত : ১২:৫৪ পিএম, ২৬ আগস্ট ২০১৪ মঙ্গলবার | আপডেট: ০২:১২ পিএম, ১ সেপ্টেম্বর ২০১৪ সোমবার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : আজ মঙ্গলবার শরতের সকালে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদযাপন হল চায়না রেডিও ইন্টারন্যাশনালের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের ১০ বছর পূর্তি এবং কনফুসিয়াস ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাসের ৫বছর পূর্তি অনুষ্ঠান। চায়না রেডিও ইন্টারন্যাশনাল বাংলা বিভাগের উদ্যোগে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার এবং পারফর্মিং স্টাডিজ বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটমণ্ডলে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। Postঅনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জুন।স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ.আ.ম.স.আরেফিন সিদ্দিক।বক্তব্য রাখেন চায়না রেডিও ইন্টারন্যাশনালের বাংলা বিভাগের প্রধান ইয়ূ কুয়াং ইউয়ে(আনন্দি),দক্ষিণ এশিয়ার উপ-প্রধাণ  জাং ইউয়ে,শান্তা মরিয়ম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ শামসুল হক,বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক কাজী আকতার উদ্দীন আহমেদ,চীনের সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সী ফায়েজ আহমেদ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার এবং পারফর্মিং স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডঃ সাইফুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন,চীন ও বাংলাদেশের সুদীর্ঘ ইতিহাস ও সংস্কৃতি রয়েছে।দু’দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ আদান প্রদানও চলে আসছে দীর্ঘকাল ধরে।প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে দু’দেশের জনগণ যুক্ত হয়েছিল।৭০ দশকে দু’দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর বন্ধুত্বপূর্ণ বিনিময় ও পারস্পারিক কল্যাণমূলক সহযোগিতার নুতুন অধ্যায় উম্মোচিত হয়।এরপর থেকে দু’পক্ষের অভিন্ন প্রচেষ্টায় পারস্পারিক আস্থা দিনদিন বাড়ছে।অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা গভীর থেকে গভীরতম হয়েছে।সাংস্কৃতিক বিনিময়ে অনেক সুফল অর্জিত হয়েছে।আমরা আশা করছি ভবিষ্যতেও এ সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে। উপাচার্য অধ্যাপক ড.আ.আ.ম.স. আরেফিন সিদ্দিক তার স্বাগত ভাষণে বলেন, চীনের ভাষা,শিক্ষা,সংস্কৃতি,  ঐতিহ্য খুবই সুপ্রাচীন। বাংলাদেশ-চীনের সম্পর্কও প্রাচীন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রের ভাষা পড়ানো হয়।তার মধ্যে চীনের ভাষা অন্ন্যতম।চীনা ভাষায় আমাদের ছেলে-মেয়েরা জ্ঞান অর্জন করছে,যা অত্যন্ত আনন্দের।চীনারাও বাংলা ভাষা শিখে বাংলাদেশে পড়তে বা চাকরি করতে আসেন।তারা অনেকেই বাংলা নামও গ্রহন করেন,যা খুবই আনন্দের।এতে বোঝা যায় চীন দেশের বন্ধুরা আমাদের দেশের ভাষা,শিক্ষা,সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে কতটা মূল্যায়ন করেন। চায়না রেডিও ইন্টারন্যাশনাল বাংলা বিভাগের প্রধান ইয়ূ কুয়াং ইউয়ে বলেন, দু’বছর পর এদেশে আবারও আসতে পারায় খুবই ভাল লাগছে।দু’দেশের ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে জনগনের মধ্যে একটি মেলবন্ধন তৈরি হচ্ছে, যা বন্ধুত্বের আগামী পথকে আরও প্রসারিত করবে।চায়না রেডিও বাংলা বিভাগের পথচলা দীর্ঘ দিনের।ঢাকা ছাড়াও চট্টগ্রামে আমাদের রেডিও কার্যক্রম প্রচার করছি।ভবিষ্যতে আরও জেলাগুলোতে চায়না রেডিও বাংলা বিভাগের কার্যক্রম প্রচার করতে চাই।বাংলা অনুষ্ঠান প্রচার করতে গিয়ে অনেকের সাহায্য পেয়েছি।তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে মনরজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার এবং পারফর্মিং স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী,কনফুসিয়াস ল্যাঙ্গুয়েজের শিক্ষার্থী এবং চায়না থেকে আগত শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রামাণ্য চিত্র দেখানো হয়।পরে অতিথিদের ক্রেস দিয়ে সম্মানিত করা হয়। ২৬.০৮.২০১৪