ভারতের কাছে লাল কেল্লার মালিকানা চান সুলতানা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ১২:৫৬ পিএম, ২ জানুয়ারি ২০২২ রবিবার
ফাইল ছবি
সুলতানা বেগম। কলকাতার শহরতলির এক বস্তিতে থাকেন। তিনি নিজেকে মুঘল রাজবংশের উত্তরাধিকার দাবি করেছেন। এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। সুলতানা বেগম ভারতের কাছে লাল কেল্লার মালিকানাও দাবি করেছেন। সংবাদমাধ্যম এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়, ভারতের শেষ মুঘল শাসকের প্রপৌত্র মির্জা মোহাম্মদ বেদার বখতের সঙ্গে সুলতানার বিয়ের নথি রয়েছে। ১৯৮০ সালে বেদার বখতের মৃত্যু হয়। তিনি রাজকীয় মর্যাদার স্বীকৃতি এবং সেই অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছেন। কিন্তু ১০ বছরেও এর কোনো সুরাহা হয়নি। ৬৮ বছর বয়সী এই নারী বলেন, ‘আপনি কি ভাবতে পারেন যে, তাজমহল তৈরি করা সম্রাটদের বংশধর এখন চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করছেন?’ দায়েরকৃত মামলায় সুলতানা নিজেকে সপ্তদশ শতকে নির্মিত লাল কেল্লার বৈধ মালিক বলে দাবি করেছেন। সুলতানা বলেন, ‘আমি আশা করছি, সরকার অবশ্যই আমাকে ন্যায়বিচার দেবে। যখন কোনো জিনিসের মালিক কেউ হন, তখন তা তার কাছে ফেরত দেওয়া উচিত।’
এদিকে গত সপ্তাহে দিল্লির হাইকোর্ট সুলতানা বেগমের আবেদনকে ‘একেবারে সময়ের অপচয়’ অভিহিত করে খারিজ করে দিয়েছে। কিন্তু তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের বংশধর বলে যে দাবি করেছেন; সেটি বৈধ কিনা সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি আদালত। তবে হাল ছাড়তে রাজি নয় সুলতানা। তিনি এখনো আশা করেন, ভারত সরকার তাকে রাজমর্যাদা ফিরিয়ে দেবেন এবং ক্ষতিপূরণও দেবে।
উল্লেখ্য, কয়েক বছর ধরে বস্তিতে একটি ছোট চায়ের দোকান চালাচ্ছিলেন সুলতানা। কিন্তু রাস্তা সম্প্রসারণের সময় সেটিও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি মাসিক ৬ হাজার টাকার পেনশনে কোনো রকমে জীবনযাপন করছেন।
