আইএস কমান্ডার সেই ‘অল অ্যামেরিকান গার্ল’ জামিন পাননি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০৯:১৩ পিএম, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ শুক্রবার
ফাইল ছবি
তাকে বলা হয়, ‘অল অ্যামেরিকান গার্ল’। জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের ক্যানসাসে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নারী ইসলামিক স্ট্যাট (আইএস) যোদ্ধা স্কোয়াডের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের কারাগারে থাকা ৪২ বছরের এলিসন ফ্লুক-একরেনকে জামিন দেয়নি দেশটির একটি আদালত।
বিবিসির খবরে বলা হয়, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ভার্জিনিয়ার একটি আদালতে তাকে তোলা হয়। কিন্তু আদালত তাকে জামিন দিতে অস্বীকৃতি জানায়।
এলিসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ‘সহিংস জিহাদে’র জন্য কম বয়সের শিশুদেরও মেশিন গান চালানোর প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছিলেন।
তাকে ৪০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত।
পেশায় সাবেক শিক্ষক এলিসন পশ্চিমা সংস্কৃতিতে বেড়া উঠলেও পরে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন।
শেষতক তিনি ইসলামিক স্ট্যাটের নারী যোদ্ধা গ্রুপের কমান্ডার হয়েছিলেন।
এলিসনের এক ছাত্রী ল্যারি মিলার জানান, ১৯৯০ সালে ক্যানসাসের টোপেকায় এলিসন তার বিজ্ঞানের শিক্ষক ছিলেন।
বিবিসিকে মিলার জানান, এলিসনের আইএসে যোগ দেয়ার খবরে তিনি হতভম্ব হয়ে পড়েছিলেন।
নিজের শিক্ষিকার কথা স্মরণ করে ল্যারি বলেন, ‘তিনি (এলিসন) ছিলেন অতি, অতি ভালো ছাত্রী। তিনি বুদ্ধিমতি ছিলেন এবং তার হাস্যরস করার বেশ ভালো ক্ষমতা ছিল।’
এলিসন ফ্লুক-একরেন বড় হয়েছেন পশ্চিমা সংস্কৃতিতে।
বহু বছর পর সেই এলিসনই হয়ে যান একজন সক্রিয় আইএস কমান্ডার।
মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এলিসন শূন্য (২০০০) দশকের সালের শেষ দিকে সাবেক স্বামীর সঙ্গে সন্তানদের নিয়ে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে পাড়ি জমান এবং বসবাস শুরু করেন। পরে তিনি আবার ক্যানসাসে ফেরেন।
মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০১২ সালের দিকে তিনি আবার সিরিয়ায় যান এবং তারপরই সন্ত্রাসবাদে জড়িয়ে
পড়েন। প্রথম স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি বেশ কয়েকজন আইএস কমান্ডারকে বিয়ে করেন।
তিনি নারীদের একে-৪৭ দিয়ে প্রশিক্ষণও দেন। সেইসঙ্গে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো ও আত্মঘাতি বিস্ফোরণ ঘটানোর শিক্ষাও দেন।
