ঢাকা, শনিবার ০৭, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৭:২৩:৪১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

প্রেমে ব্যর্থ হয়ে অন্তঃসত্ত্বাকে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৮:৩৬ পিএম, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সোমবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ঢাকার ধামরাইয়ে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তদের মধ্যে একজন ওই নারীর সাবেক প্রেমিক ছিল বলে জানা গেছে। ধর্ষণের ঘটনায় রিফাত হোসেন নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

অভিযোগ রয়েছে, প্রেমে ব্যর্থ হয়ে আরও দুই সঙ্গী নিয়ে সাবেক প্রেমিকাকে দলবেঁধে ধর্ষণ করেছেন রিফাত হোসেন। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে ধামরাই থানায় মামলা করলে রিফাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শনিবার দিনগত রাতে ধামরাই উপজেলার সূয়াপুর এলকায় অভিযান চালিয়ে রিফাতকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রিফাতকে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠালে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

এর আগে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের কালামপুর করিম টেক্সটাইল কারখানার পূর্ব পাশে ইটভাটার একটি পরিত্যক্ত ঘরে।

এ ঘটনায়করা মামলার অন্য আসামিরা হলেন- একই এলাকার সাইফুল ইসলাম, সুমন মিয়া, করিম টেক্সটাইলের নারী শ্রমিক জোৎনা আক্তার ও জরিনা আক্তার।

ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের আগে ওই নারীর সঙ্গে রিফাতের দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে মেয়েটির অন্যত্র বিয়ে হয়ে যায়। মেয়েটির গর্ভে দের মাসের বাচ্চা ছিল। এরপর রিফাত ফন্দি করে গত ২৪ জানুয়ারি মেয়েটির বান্ধবী জোৎনা ও জরিনাকে দিয়ে কৌশলে দুপুর বেলা ফেক্টরি থেকে ডেকে এনে করিম টেক্সটাইল কারখানার পূর্ব পাশে আইএনসি ইটভাটার একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে জোর করে তিন বন্ধু রিফাত, সাইফুল, সুমন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এই সময় জোৎনা ও জরিনা আক্তার তাদের পাহারা দিচ্ছিলেন। পরে ওই ঘরের পাশ দিয়ে লোকজন যাওয়ার সময় ঘরের ভেতরে ভুক্তভোগীর গুঙানির শব্দ পেয়ে তারা এগিয়ে গেলে জোৎনা ও জরিনা কৌশলে সেখান থেকে সরে যায়। লোকজন ঘরের দরজা বন্ধ পেয়ে ডাকাডাকি করে। তখন অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীকে রেখে দৌড়িয়ে পালিয়ে যায়।

এরপর আশেপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে তার স্বামী সাব্বিরকে খবর দেয়। তখন সাব্বির এসে তাকে নিয়ে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে সাব্বির বাদী হয়ে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ করে ধামরাই থানায় মামলা করেন।

সেই মামলায় ধামরাই থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে সূয়াপুর থেকে রিফাত হোসেনকে আটক করে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠায়।

সাব্বির হোসেন বলেন, আমার স্ত্রীর গর্ভে বাচ্চা ছিল। এ ঘটনায় বাচ্চটি নষ্ট হয়ে গেছে। যারা এমন অমানবিক কাজ করেছে তাদের কঠিন শাস্তির দাবি জানাই।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার ওসি (অপারেশন) নির্মল কুমার দাস বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।