ওপেক বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধিতে আগ্রহী
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪.কম
প্রকাশিত : ০৮:৫২ পিএম, ১৮ জানুয়ারি ২০১৮ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ১০:২৭ পিএম, ১৯ জানুয়ারি ২০১৮ শুক্রবার
বাংলাদেশ সফররত ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ওএফআইডি)-এর মহাপরিচালক ও সিইও সুলেইমান জাসির আল হারবিশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আজ বৃহস্পতিবার তার তেজগাঁও কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এ সময় তিনি বলেন, ওপেক বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারিত করতে চায়।
জাসির আল হারবিশ আরো বলেন, বাংলাদেশ ওপেকের বড় অংশীদার। গত ৩২ বছর ধরে উভয়ের মধ্যে সুসম্পর্ক রয়েছে। এখন আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক সম্প্রসারণে নতুন নতুন বিষয় নিয়ে কাজ করতে চাই।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, বৈঠকে বিশেষ করে জ্বালানি ও জ্বালানি সমস্যা নিরসনসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
প্রেস সচিব জানান, ওপেক মহাপরিচালক বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বিশ্বের ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন মানুষ বিদ্যুৎ থেকে বঞ্চিত। ওপেক পানি, খাদ্য ও জ্বালানির উপর গুরুত্বারোপ করেছে।
ওপেক মহাপরিচালক জানান, বাংলাদেশের জন্য আরো বেশি কিছু করতে ওপেকের জুন মাসের কাউন্সিল সভায় তিনি একটি প্রতিবেদন পেশ করবেন।
সুলেইমান রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, শেখ হাসিনা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে অত্যন্ত মানবিক দায়িত্ব পালন করেছেন। মহাপরিচালক রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সফর করায় ওএফআইডি মহাপরিচালককে ধন্যবাদ জানিয়ে জ্বালানি সংকট সমাধানে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার কথা জানান।
তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতা গ্রহণের সময় দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল মাত্র ১১০০ মেগাওয়াট। বর্তমান সরকারের ৫ বছরের শাসনামলে তা ৪৩০০ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়। কিন্তু বিএনপির পরবর্তী ৫ বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন ৩২০০ মেগাওয়াটে নেমে আসে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা হচ্ছে ১৫ হাজার ৩৫০ মেগাওয়াট। ১৯৯৬ বেসরকারি কোম্পানিকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সম্পৃক্ত করতেতাঁর সরকারের সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, আমি জেনে আনন্দিত যে, নারীরা এখন ওপেকের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছে।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার তাদের প্রত্যাবাসনে ইতোমধ্যে চুক্তি করেছে। নিকট প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশ সব সময় সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়।
