ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৬, জুলাই ২০২৬ ১৪:০৬:২৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান আমাদের অনুপ্রাণিত করে : প্রধানমন্ত্রী

বাসস

উইমেননিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ০৬:৫৯ পিএম, ২৩ জানুয়ারি ২০১৮ মঙ্গলবার | আপডেট: ০১:৫৮ এএম, ২৪ জানুয়ারি ২০১৮ বুধবার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অপশাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান আজও আমাদের অনুপ্রাণিত করে।

 

 

তিনি বলেন, সকল শোষণ, বঞ্চনা ও বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার দেয়া এক বাণীতে তিনি মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক, উন্নত, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলারও আহবান জানান।

 


প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আসুন, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক, উন্নত, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলি। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করি।’

 


বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মাইলফলক ঊনসত্তরের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস আগামীকাল বুধবার।

 


মুক্তিকামী নিপীড়িত জনগণের পক্ষে জাতির মুক্তি সনদ খ্যাত ৬ দফা এবং পরবর্তীতে ছাত্র সমাজের দেয়া ১১ দফা কর্মসূচির প্রেক্ষাপটে সংঘটিত হয়েছিল এ গণঅভ্যুত্থান।

 


শহিদ মতিউরসহ মুক্তি সংগ্রামের সকল শহিদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, বাঙালির মুক্তি সনদ ৬ দফা, পরবর্তীকালে ১১ দফা ও উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি মহান স্বাধীনতা।

 


তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ঔপনিবেশিক পাকিস্তানি শাসন, শোষণ, নিপীড়ন, বৈষম্য ও বঞ্চনা থেকে বাঙালি জাতিকে মুক্ত করতে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ৬ দফা ঘোষণা করেন। ফলে আরো তীব্রতর হয় স্বাধিকার আন্দোলন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী এ আন্দোলনকে নস্যাৎ করার হীনউদ্দেশ্যে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে বঙ্গবন্ধুসহ ৩৫ জনকে বন্দি করে। এ মামলার বিরুদ্ধে দেশব্যাপী ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, জনতা দুর্বার ও স্বতঃস্ফূর্ত গণ-আন্দোলন গড়ে তোলেন।

 


বঙ্গবন্ধুকে মুক্ত করা এবং পাকিস্তানি সামরিক শাসন উৎখাতের লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালের এদিনে সংগ্রামী জনতা শাসকগোষ্ঠীর দমনপীড়ন ও সান্ধ্যআইন ভঙ্গ করে মিছিল বের করেন জানিয়ে শেখ হাসিনা আরো বলেন, মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণে শহিদ হন নবমশ্রেণির ছাত্র মতিউর রহমান। জনতার রুদ্ররোষ এবং গণ-অভ্যুত্থানের জোয়ারে স্বৈরাচারী আইয়ুব সরকার তথাকথিত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান অভিযুক্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবসহ সকলকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। পতন ঘটে আইয়ুব খানের স্বৈরতন্ত্রের। প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যমআয়ের এবং ২০৪১ সালের আগেই উন্নত, সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে সকলকে একযোগে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান।