বিশ্বভারতীতে আবার যৌন নির্যাতনের অভিযোগ
প্রকাশিত : ১২:৫৫ পিএম, ২ সেপ্টেম্বর ২০১৪ মঙ্গলবার | আপডেট: ১২:৫৭ পিএম, ২ সেপ্টেম্বর ২০১৪ মঙ্গলবার
ডেস্কনিউজ, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা: বিশকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে আবার যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এবার এক ছাত্রের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই এক ছাত্রী।
গতকাল সোমবার ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হেনস্তা প্রতিরোধ কমিটি বা ‘বিশাখা’ কমিটির কাছে অভিযোগ দায়ের করেন।
বিশাখা কমিটির প্রধান অধ্যাপক মৌসুমি ভট্টাচার্য বলেছেন, ছাত্রীর কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, নোট দেওয়ার নাম করে ভাস্কর্য বিভাগের স্নাতকোত্তর শেষ বর্ষের ছাত্র তাঁর কক্ষে নিয়ে ওই ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করেন।
কয়েক দিন আগে সিকিম থেকে পড়তে আসা প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীকেও বিশ্বভারতীর তিনজন ছাত্র যৌন নির্যাতন করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিন ছাত্র অনিরুদ্ধ, মাসুম ও অনির্বাণকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে মামলা হলে পুলিশ ওই তিন ছাত্রকে গ্রেপ্তারও করে।
এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে দ্বিতীয়বার যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠল। এ খবর ফাঁস হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সাংসদ অধ্যাপক অনুপম হাজরা এ ঘটনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করেছেন। তাঁর দাবি, প্রথমবার শ্লীলতাহানির ঘটনার পরই উপাচার্য ওই ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে চেয়েছিলেন।
এ ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল বিকেলে ছাত্রীদের নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
ভারতের রাষ্ট্রপতি ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ও বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর প্রতিনিধি সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ফোন করে সিকিমের ছাত্রীর যৌন নিপীড়নের ঘটনার ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়েছেন।
০২.০৯.২০১৪
বিশাখা কমিটির প্রধান অধ্যাপক মৌসুমি ভট্টাচার্য বলেছেন, ছাত্রীর কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, নোট দেওয়ার নাম করে ভাস্কর্য বিভাগের স্নাতকোত্তর শেষ বর্ষের ছাত্র তাঁর কক্ষে নিয়ে ওই ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করেন।
কয়েক দিন আগে সিকিম থেকে পড়তে আসা প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীকেও বিশ্বভারতীর তিনজন ছাত্র যৌন নির্যাতন করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিন ছাত্র অনিরুদ্ধ, মাসুম ও অনির্বাণকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে মামলা হলে পুলিশ ওই তিন ছাত্রকে গ্রেপ্তারও করে।
এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে দ্বিতীয়বার যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠল। এ খবর ফাঁস হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সাংসদ অধ্যাপক অনুপম হাজরা এ ঘটনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করেছেন। তাঁর দাবি, প্রথমবার শ্লীলতাহানির ঘটনার পরই উপাচার্য ওই ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে চেয়েছিলেন।
এ ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল বিকেলে ছাত্রীদের নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
ভারতের রাষ্ট্রপতি ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ও বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর প্রতিনিধি সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ফোন করে সিকিমের ছাত্রীর যৌন নিপীড়নের ঘটনার ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়েছেন।
০২.০৯.২০১৪ 