ঢাকা, মঙ্গলবার ১৪, জুলাই ২০২৬ ৫:৫৪:৪৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

পাক সিনেটে প্রথম হিন্দু দলিত নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ১০:০৫ পিএম, ৪ মার্চ ২০১৮ রবিবার | আপডেট: ০৪:৪১ পিএম, ৫ মার্চ ২০১৮ সোমবার

পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো হিন্দু নারী সিনেট সদস্য হলেন। দেশটির পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষ সিনেটে প্রথমবারের মতো সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন হিন্দু দলিত নারী কৃষ্ণা কুমারি কোহলি।

শনিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সিন্ধু প্রদেশ থেকে আসা ৩৯ বছর বয়সী কোহলি জয়ী হয়েছেন। খবর ডন অনলাইনের।

বিলওয়াল ভূট্টো জারদারির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) সদস্য কোহলি। প্রদেশের থার এলাকা থেকে আসা কোহলিকে সিন্ধু আইন পরিষদের পক্ষ থেকে সংখ্যালঘুদের জন্য বরাদ্দ সিনেটের একটি আসনে মনোনয়ন দেয় তার দল।

কোহলির এই জয়কে পাকিস্তানের নারী ও সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলনের পক্ষে বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর আগে রত্মা ভাগওয়ান্দাস চাওলা নামে এক হিন্দু নারীকে সিনেট সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করেছিল পাকিস্তান।

সিন্ধু প্রদেশের থর এলাকার নানগারপারকার গ্রামের বাসিন্দা কোহলির জন্ম ১৯৭৯ সালে এক গরীব কৃষকের ঘরে। তিনি যখন তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী তখন উমারকোট জেলার কুনরি এলাকার এক ভূস্বামীর পরিচালিত জেলে তিন বছর বন্দি থাকতে হয়েছিল কোহলি ও তার পরিবারের সদস্যদের।

নবম শ্রেণিতে পড়াকালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পরও তিনি পড়াশুনা চালিয়ে যান। ২০১৩ সালে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন কোহলি।

সমাজকর্মী হিসেবে ভাইয়ের সঙ্গে পিপিপিতে যোগ দিয়েছিলেন কোহলি। পরবর্তীতে তার ভাই ইউনিয়ন কাউন্সিল বারানো’র চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

কোহলির পূর্বপুরুষরা স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ের বীর যোদ্ধা ছিলেন। ১৮৫৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন তার পূর্বপুরুষ রুপলু কোহলি। সিন্ধুর নানগারপারকারে ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে গ্রেফতার হন রুপলি। পরে ইংরেজরা তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।