ঢাকা, মঙ্গলবার ২৪, মার্চ ২০২৬ ০:৫৯:৩৮ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

নাটোরে খোলা বাজারে চাল বিক্রি শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ০১:০১ পিএম, ৫ মার্চ ২০১৮ সোমবার | আপডেট: ১০:০৮ পিএম, ৮ মার্চ ২০১৮ বৃহস্পতিবার

নাটোর জেলায় আজ সোমবার থেকে সরকারের খাদ্য বিভাগ ৩০ টাকা কেজি দরে খোলা বাজারে চাল বিক্রি কার্যক্রম শুরু করেছে। এরআগে ১৭ টাকা কেজি দরে আটা বিক্রির কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।


জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন নাটোর শহর এলাকায় নির্ধারিত ডিলারের মাধ্যমে পাঁচ টন করে চাল বিক্রির কার্যক্রম আজ সকাল থেকে শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে শহরের নীচাবাজার, কানাইখালী, বনবেলঘড়িয়া, উত্তর বড়গাছা ও দক্ষিণ বড়গাছা এলাকার প্রতিটি স্থানে এক টন করে চাল বিক্রি করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে শহরের মোট ১৪টি স্থানের মধ্যে শুক্রবার ও সরকারী ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন পাঁচটি স্থানে চাল বিক্রি করা হবে।


শহরের নীচাবাজার এলাকায় খাদ্য বিভাগের ডিলার হাফিজ গাফফার জানান, সকাল থেকেই চাল কেনার জন্যে আগুন্তকরা লম্বা লাইনে দাঁড়িয়েছেন। প্রতিজন ৩০ টাকা কেজি দরে সর্বোচ্চ পাঁচ কেজি করে চাল কিনতে পারছেন।


চাল সংগ্রহের লাইনে পুরুষের চেয়ে মহিলাদের লাইন দীর্ঘ। কারণ হিসেবে জানা গেল বাড়ির পুরুষেরা তাদের নির্ধারিত কর্মে নিয়োজিত রয়েছেন। গৃহিনিরা গৃহন্থালী কাজে ব্যস্ততার মধ্যে সময় বের করে চাল সংগ্রহের জন্যে লাইনে দাঁড়িয়েছেন।


অনিতা পাল চাল ক্রয় করতে আসার কারণ সম্পর্কে বলেন, বাজারে চালের দর বেশি বলে অল্প দামে এখানে কিনতে এসেছি। সরকারের এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানান লাইনে দাঁড়ানো মোঃ জহির।


এরআগে গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শহরে ১৪ জন ডিলারের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে প্রতিদিন পাঁচটি স্থানে এক টন করে আটা বিক্রির কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। নির্ধারিত স্থানে কেজি প্রতি ১৭ টাকা দরে সর্বোচ্চ পাঁচ কেজি করে আটা ক্রয়ের দীর্ঘ লাইন ক্রেতাদের আগ্রহের জানান দিচ্ছে।


জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, বাজারে চাল ও আটার উর্ধমুখী দরের প্রবনতা রোধ করার জন্যে সরকারের এ পদক্ষেপ প্রভাব ফেলবে। সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে মনিটরিং টিম তৎপর রয়েছে।


আজ সোমবার থেকে একই সাথে জেলার সাতটি উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ে ৭৬ হাজার ৬৪৯ জন উপকারভোগীর মাঝে ১০ টাকা দরে জনপ্রতি ৩০ কেজি করে চাল বিক্রির কার্যক্রম-“খাদ্য বান্ধব কর্মসূচী”ও চালু করা হয়েছে বলে জেলার এ কর্মকর্তা অবহিত করেন।

 

সূত্র : বাসস