ঢাকা, মঙ্গলবার ২৪, মার্চ ২০২৬ ১১:৩৩:২৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

নূপুরদের গ্রেপ্তারের দাবি জানালেন মমতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:০৮ পিএম, ৯ জুন ২০২২ বৃহস্পতিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মোবাইলের হ্যান্ডসেট বিক্রির ওপর বিদ্যমান ৫ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতি প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থাৎ এতদিন এক্ষেত্রে ৫% ভ্যাট মওকুফ ছিল, এখন তা দিতে হবে। এর ফলে গ্রাহকের জন্য মোবাইল হ্যান্ডসেটের দাম বাড়বে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ কথা জানান।

অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় বলেন, মোবাইল টেলিফোন সেট ব্যবসায়ী পর্যায়ে বিদ্যমান ৫ শতাংশ মূসক অব্যাহতি প্রত্যাহারের প্রস্তাব করছি।

বর্তমানে, স্মার্টফোন আমদানিতে প্রায় ৫৮ শতাংশ কর দিতে হয়। স্থানীয়ভাবে অ্যাসেম্বল ও তৈরি হ্যান্ডসেটের ওপর কর দিতে হয় ৩ থেকে ২৭ শতাংশ পর্যন্ত।

২০২০-২১ সালে স্থানীয়ভাবে তৈরি এবং আমদানি করা হ্যান্ডসেটের মোট সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ১২ লাখ।

‘কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তন’ স্লোগান নিয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছে জাতীয় সংসদে। নতুন এ বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। এতে মূল্যস্ফীতি ধরা হচ্ছে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ।


এবারের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের তুলনায় ৭৪ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকা বেশি। আর সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৮৪ হাজার ৫৬৪ কোটি টাকা বেশি। আগামী অর্থবছরের বাজেটে বড় ব্যয়ের বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের আয়ের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা হতে যাচ্ছে চার লাখ ৩৬ হাজার ২৭১ কোটি টাকা। যেখানে বাজেটে অনুদান ছাড়া ঘাটতির আকার ধরা হয়েছে দুই লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। অনুদানসহ ঘাটতি থাকবে দুই লাখ ৪১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা।

২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে আয়ের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে চার লাখ ৩৬ হাজার ২৭১ কোটি টাকা। যা চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের তুলনায় ৪৪ হাজার ৭৯ কোটি টাকা বেশি।

প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের আয়ের খাতগুলো থেকে কর বাবদ তিন লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা আয় করার পরিকল্পনা করছে সরকার। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাধ্যমে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে তিন লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা।

নতুন অর্থবছরে এনবিআরকে ৪০ হাজার কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দিচ্ছে সরকার। এনবিআর বহির্ভূত কর থেকে আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা। কর ছাড়া আয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা। বৈদেশিক অনুদান থেকে আয় ধরা হয়েছে তিন হাজার ২৭১ কোটি টাকা।

বিজেপির বরখাস্ত হওয়া মুখপাত্র নূপুর শর্মা এবং বহিষ্কৃত মুখপাত্র নবীন জিন্দালের আপত্তিকর মন্তব্য নিয়ে এবার সরব হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই ঘটনাকে তীব্র ধিক্কার জানিয়ে টুইটারে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি মমতা জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার আনন্দবাজার অনলাইন এ খবর জানিয়েছে।
সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যম আয়োজিত বিতর্কসভায় মহানবী (সা.) নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন নূপুর। তারপর কার্যত একই কথা টুইট করেন গেরুয়া শিবিরের আরো এক মুখপাত্র নবীন জিন্দাল। তা নিয়ে হইচই শুরু হতেই নূপুরকে বরখাস্ত এবং নবীনকে বহিষ্কার করে বিজেপি। যদিও তাতে বিতর্ক ধামাচাপা পড়েনি। মধ্য-পূর্ব এশিয়ায় ভারতের পণ্য বয়কট শুরু হয়ে যায়। কাতারের মতো কয়েকটি দেশ সেসব দেশে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে ডেকে আপত্তির কথা জানায়। সব মিলিয়ে আবর দুনিয়ায় ভারতের ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই। এবার সেই প্রেক্ষিতে ঘটনার নিন্দা করলেন মমতা।

পর পর তিনটি টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘বিজেপির ধ্বংসাত্মক কয়েকজন নেতার করা জঘন্য এবং নৃশংস ঘৃণাভাষণকে ধিক্কার। এতে শুধু যে হিংসা ছড়ায় তা-ই নয়, আমাদের দেশের বৈচিত্রময় সংস্কৃতিও ক্ষুণ্ণ হয়। আমি অভিযুক্ত বিজেপি নেতাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার চাই।’ মুখ্যমন্ত্রী টুইটে জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে সব ধর্ম, বর্ণ, জাতির মানুষকে শান্তি বজায় রাখারও আবেদন জানিয়েছেন। নূপুর, নবীনের মন্তব্য ও টুইট নিয়ে বেজায় বেকায়দায় পড়েছে শাসকদল বিজেপি। যদিও এখন পর্যন্ত এ প্রসঙ্গে একটি শব্দও উচ্চারণ করেননি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার সেই মোদি সরকারের উপরই চাপ বাড়িয়ে দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারির দাবি তুলেছেন মমতা।