ঢাকা, শুক্রবার ০৬, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২:০৪:০৩ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

করোনা সংক্রমণ চট্টগ্রামে কিছুটা কমেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৩৮ পিএম, ৫ জুলাই ২০২২ মঙ্গলবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বন্দর নগরীতে করোনায় মৃত্যুশূন্য দিনে সংক্রমণের সংখ্যা কমেছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৩০ জন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। সংক্রমণের হার ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ। 
চট্টগ্রামের করোনা সংক্রান্ত হালনাগাদ পরিস্থিতি নিয়ে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রেরিত প্রতিবেদনে এ সব তথ্য জানা যায়।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আজকের রিপোর্টে বলা হয়, নগরীর নয় ল্যাব ও এন্টিজেন টেস্টে গতকাল সোমবার চট্টগ্রামের ২৭৯ জনের নমুনায় নতুন ৩০ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। এর মধ্যে শহরের ২৬ ও তিন উপজেলার ৪ জন। উপজেলায় আক্রান্তদের মধ্যে লোহাগাড়ায় ২ জন এবং ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীতে একজন করে রয়েছেন। জেলায় করোনায় মোট শনাক্ত ব্যক্তির সংখ্যা এখন ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৪৭৪ জন। এর মধ্যে শহরের ৯২ হাজার ৮৩৮ ও গ্রামের ৩৪ হাজার ৬৩৬ জন। গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় শহর ও গ্রামে কারো মৃত্যু হয়নি। মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩৬৫ জনই রয়েছে। এতে শহরের ৭৩৫ ও গ্রামের ৬৩০ জন। 
ল্যাবভিত্তিক আজকের রিপোর্টে দেখা যায়, সরকারি পরীক্ষাগারগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (চমেকহা) ল্যাবে ৩১ জনের নমুনার মধ্যে শহরের ৬ জনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ২৮ টি নমুনায় গ্রামের একটিতে করোনাভাইরাস পাওয়া যায়। আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের আরটিআরএলে পরীক্ষিত ৯ নমুনার ২ টির পজিটিভ রেজাল্ট আসে। নমুনা সংগ্রহের বিভিন্ন কেন্দ্রে ৪৭ জনের এন্টিজেন টেস্ট করা হলে গ্রামের ৩ জন আক্রান্ত বলে জানানো হয়। 
বেসরকারি ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরি শেভরনে ২৭ জনের নমুনায় কারো শরীরে জীবাণুর উপস্থিতি মিলেনি। আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে ১৯টি নমুনায় শহরের ২টিতে জীবাণুর অস্তিত্ব ধরা পড়ে। মেডিক্যাল সেন্টার হাসপাতাল ল্যাবে ১৩ নমুনার একটিতেও ভাইরাস চিহ্নিত হয়নি। এপিক হেলথ কেয়ারে ৪৮ জনের নমুনায় শহরের ৮ জনের দেহে সংক্রমণ পাওয়া যায়। মেট্রোপলিটন হাসপাতাল ল্যাবে ৪৬টি নমুনায় শহরের ৩ জন আক্রান্ত শনাক্ত হন। এভারকেয়ার হাসপাতাল ল্যাবে ১১টি নমুনায় শহরের ৫টির রিপোর্ট পজিটিভ হয়। 
ল্যাবভিত্তিক রিপোর্ট বিশ্লেষণে সংক্রমণ হার নির্ণিত হয় চমেকহা’য় ১৯ দশমিক ৩৫, সিভাসু’তে ৩ দশমিক ৫৭, আরটিআরএলে ২২ দশমিক ২২, শেভরনে ০, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে ১০ দশমিক ৫২, মেডিক্যাল সেন্টার হাসপাতালে ০, এপিক হেলথ কেয়ারে ১৬ দশমিক ৬৬, মেট্রোপলিটন হাসপাতাল ল্যাবে ৬ দশমিক ৫২, এভারকেয়ার হাসপাতালে ৪৫ দশমিক ৪৫ এবং এন্টিজেন টেস্টে ৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ।