আদিবের স্বপ্ন
প্রকাশিত : ১০:৩৫ এএম, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ শুক্রবার | আপডেট: ১০:১৭ এএম, ২৫ অক্টোবর ২০১৩ শুক্রবার
জান্নাত দেওয়ান অনন্যা
ষষ্ঠ শ্রেণি, অগ্রণী স্কুল ও কলেজ
আজিমপুর, ঢাকা।
সুহাসপুরে আদিবদের বাড়ি। আদিবের বাবা শহরে চাকরি করেন। বাড়িতে আসেন অনেকদিন পর পর। কিন্তু বাবার সাথে আদিবের প্রতিদিনই সেল ফোনে কথা হয়। আদিবের আম্মু ওদের গ্রামের একটি স্কুলে চাকরি করেন।
আদিব তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ওর স্কুলের নাম সোনারঙ প্রাইমারি বিদ্যালয়। আদিবদের বাড়িতে একজন কাজের বুয়া আছে, সে খুব ভালো। সে ওদের বাড়িতেই থাকে। আদিবের আম্মুর সব কাজে সাহায্য করে। আদিবের আম্মু যখন স্কুলে থাকেন তখন সে আদিবকে দেখে রাখে।
আদিব প্রতিদিন স্কুল থেকে ফিরে এসে হাত-মুখ ধুয়ে খাওয়া-দাওয়া করে একটু ঘুমোয়।
ঘুম থেকে উঠতেই ওর আম্মু স্কুল থেকে ফিরে আসে।
এরপর আদিব পড়তে বসে। পড়ার পর বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে মাঠে খেলতে যায়। সন্ধ্যায় খেলা শেষ করে ঘরে ফিরে এসে আবার পড়তে বসে।
আদিব আজ স্কুল থেকে ফিরে প্রতিদিনের মতো বিছানায় ঘুমোতে যায়। কিন্তু ওর চোখে ঘুম আসছে না। ও বিছানা থেকে উঠে বাড়ি থেকে বের হয়ে হাঁটতে লাগলো। হাঁটতে হাঁটতে ও একেবারে গ্রামের শেষ প্রান্তে এসে পড়ল। আরো হাঁটতে হাঁটতে অন্য এক গ্রামে এসে পৌঁছল। হঠাৎ ওর চোখে পড়ল খুব সুন্দর একটি প্রজাপতি। এমন সুন্দর প্রজাপতি ও আগে কখনো দেখেনি। প্রজাপতিটির দিকে ও কিছুক্ষণ অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকল। প্রজাপতিটিও যেন ওর দিকে তাকিয়ে ছিল।
এরপর প্রজাপতিটি উড়তে শুরু করল। প্রজাপতির পিছু পছু আদিবও ছুটতে লাগল। প্রজাপতির পিছু পিছু ছুটতে ছুটতে আদিব দেখল সে এক ফুলের বাগানে এসে পড়েছে। এখানে অনেক অনেক ফুল। আর এতো বড় ফুলের বাগান ও আগে কখনো দেখেনি। ওর কাছে মনে হলো বাগানটি ওদের গ্রামের সমান। প্রজাপতি পুরো বাগানজুড়ে উড়ল। আদিবও প্রজাপতির পিছু পিছু সারা বাগান ঘুরল। যেন প্রজাপতিটি ওকে এই অপরূপ সুন্দর বাগানটি ঘুরে ঘুরে দেখাতেই নিয়ে এসেছে। প্রজাপতিটি অনেকক্ষণ ওড়ার পর একটি ফুলের উপর গিয়ে বসল। এরপর প্রজাপতিটি আদিবকে বলল, ‘আদিব আমি এ বাগানেই থাকি’। প্রজাপতির মুখে কথা শুনে আদিব অনেকক্ষণ অবাক হয়ে রইল। এরপর আদিব প্রজাপতিকে বলল, ‘তুমি কথা বলতে পারো?’ প্রজাপতি বললো, ‘হ্যাঁ আমরাও কথা বলতে পারি, কিন্তু আমাদের কথা সবাই বোঝে না। এখানে আমার মতো আরো অনেক প্রজাপতি আছে। ওদের সাথে তোমাকে ্পরিচয় করিয়ে দেব।’
আর তখনই সব প্রজাপতি ওর কাছে এসে ওড়াউড়ি শুরু করে দিল। এই প্রজাপতিগুলো একেকটা একেক রকম সুন্দর। আদিব ওদের দিকে তাকাতেই বারবার মুগ্ধ হচ্ছে। প্রজাপতিটি বললো, ‘আদিব আরো প্রজাপতি আছে, আমরা সবাই বন্ধু। আমরা সব প্রজাপতিরাই এই বাগানে থাকি, খেলি, ছোটাছুটি করি। তুমি যতো প্রজাপতি দেখবে ততোই মুগ্ধ হতে থাকবে।’
এবার প্রজাপতিটি বললো, ‘আদিব চলো এবার তোমাকে তোমার গ্রামে দিয়ে আসি।’
আদিব বললো, ‘তোমরা সবাই আমার সাথে চলো। তোমরা আমাদের গ্রামে থাকবে।’ প্রজাপতিটি বললো, ‘না আমরা তোমাদের গ্রামে থাকতে পারব না, কারণ সেখানে কোনো ফুলের বাগান নেই। সেখানে আমরা স্বাধীনভাবে খেলাধুলা, ছোটাছুটি করতে পারব না।’ আদিব বললো, ‘আমি গ্রামে গিয়ে তোমাদের জন্য ফুলের বাগান বানাব।’
আদিবের আম্মু স্কুল থেকে এসে আদিবকে ডাকতেই ওর ঘুম ভেঙ্গে গেল।
সুহাসপুরে আদিবদের বাড়ি। আদিবের বাবা শহরে চাকরি করেন। বাড়িতে আসেন অনেকদিন পর পর। কিন্তু বাবার সাথে আদিবের প্রতিদিনই সেল ফোনে কথা হয়। আদিবের আম্মু ওদের গ্রামের একটি স্কুলে চাকরি করেন।
আদিব তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ওর স্কুলের নাম সোনারঙ প্রাইমারি বিদ্যালয়। আদিবদের বাড়িতে একজন কাজের বুয়া আছে, সে খুব ভালো। সে ওদের বাড়িতেই থাকে। আদিবের আম্মুর সব কাজে সাহায্য করে। আদিবের আম্মু যখন স্কুলে থাকেন তখন সে আদিবকে দেখে রাখে।
আদিব প্রতিদিন স্কুল থেকে ফিরে এসে হাত-মুখ ধুয়ে খাওয়া-দাওয়া করে একটু ঘুমোয়।
ঘুম থেকে উঠতেই ওর আম্মু স্কুল থেকে ফিরে আসে।
এরপর আদিব পড়তে বসে। পড়ার পর বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে মাঠে খেলতে যায়। সন্ধ্যায় খেলা শেষ করে ঘরে ফিরে এসে আবার পড়তে বসে।
আদিব আজ স্কুল থেকে ফিরে প্রতিদিনের মতো বিছানায় ঘুমোতে যায়। কিন্তু ওর চোখে ঘুম আসছে না। ও বিছানা থেকে উঠে বাড়ি থেকে বের হয়ে হাঁটতে লাগলো। হাঁটতে হাঁটতে ও একেবারে গ্রামের শেষ প্রান্তে এসে পড়ল। আরো হাঁটতে হাঁটতে অন্য এক গ্রামে এসে পৌঁছল। হঠাৎ ওর চোখে পড়ল খুব সুন্দর একটি প্রজাপতি। এমন সুন্দর প্রজাপতি ও আগে কখনো দেখেনি। প্রজাপতিটির দিকে ও কিছুক্ষণ অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকল। প্রজাপতিটিও যেন ওর দিকে তাকিয়ে ছিল।
এরপর প্রজাপতিটি উড়তে শুরু করল। প্রজাপতির পিছু পছু আদিবও ছুটতে লাগল। প্রজাপতির পিছু পিছু ছুটতে ছুটতে আদিব দেখল সে এক ফুলের বাগানে এসে পড়েছে। এখানে অনেক অনেক ফুল। আর এতো বড় ফুলের বাগান ও আগে কখনো দেখেনি। ওর কাছে মনে হলো বাগানটি ওদের গ্রামের সমান। প্রজাপতি পুরো বাগানজুড়ে উড়ল। আদিবও প্রজাপতির পিছু পিছু সারা বাগান ঘুরল। যেন প্রজাপতিটি ওকে এই অপরূপ সুন্দর বাগানটি ঘুরে ঘুরে দেখাতেই নিয়ে এসেছে। প্রজাপতিটি অনেকক্ষণ ওড়ার পর একটি ফুলের উপর গিয়ে বসল। এরপর প্রজাপতিটি আদিবকে বলল, ‘আদিব আমি এ বাগানেই থাকি’। প্রজাপতির মুখে কথা শুনে আদিব অনেকক্ষণ অবাক হয়ে রইল। এরপর আদিব প্রজাপতিকে বলল, ‘তুমি কথা বলতে পারো?’ প্রজাপতি বললো, ‘হ্যাঁ আমরাও কথা বলতে পারি, কিন্তু আমাদের কথা সবাই বোঝে না। এখানে আমার মতো আরো অনেক প্রজাপতি আছে। ওদের সাথে তোমাকে ্পরিচয় করিয়ে দেব।’
আর তখনই সব প্রজাপতি ওর কাছে এসে ওড়াউড়ি শুরু করে দিল। এই প্রজাপতিগুলো একেকটা একেক রকম সুন্দর। আদিব ওদের দিকে তাকাতেই বারবার মুগ্ধ হচ্ছে। প্রজাপতিটি বললো, ‘আদিব আরো প্রজাপতি আছে, আমরা সবাই বন্ধু। আমরা সব প্রজাপতিরাই এই বাগানে থাকি, খেলি, ছোটাছুটি করি। তুমি যতো প্রজাপতি দেখবে ততোই মুগ্ধ হতে থাকবে।’
এবার প্রজাপতিটি বললো, ‘আদিব চলো এবার তোমাকে তোমার গ্রামে দিয়ে আসি।’
আদিব বললো, ‘তোমরা সবাই আমার সাথে চলো। তোমরা আমাদের গ্রামে থাকবে।’ প্রজাপতিটি বললো, ‘না আমরা তোমাদের গ্রামে থাকতে পারব না, কারণ সেখানে কোনো ফুলের বাগান নেই। সেখানে আমরা স্বাধীনভাবে খেলাধুলা, ছোটাছুটি করতে পারব না।’ আদিব বললো, ‘আমি গ্রামে গিয়ে তোমাদের জন্য ফুলের বাগান বানাব।’
আদিবের আম্মু স্কুল থেকে এসে আদিবকে ডাকতেই ওর ঘুম ভেঙ্গে গেল। 