ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৬, জুলাই ২০২৬ ৪:৪২:৩৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

২৬ মার্চ আজ : রক্তের আখরে লেখা এক গৌরবোজ্জ্বল দিন

এসএম মুন্না

উইমেননিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ১২:৫৯ এএম, ২৬ মার্চ ২০১৮ সোমবার | আপডেট: ১১:৪৮ এএম, ২৬ মার্চ ২০১৮ সোমবার

২৬ মার্চ আজ। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বাঙালি জাতির ইতিহাসের রক্তের আখরে লেখা এক গৌরবোজ্জ্বল দিন। ৩০ লাখ শহীদের রক্তস্নাত মুক্তিযুদ্ধের সূচনার দিন। হাজার বছরের শোষণ-বঞ্চনার শাপ থেকে মুক্ত হওয়ার দিন। স্বাধীন মুক্ত দেশের জন্য অকাতরে আত্মাহুতির অনন্য ইতিহাস সৃষ্টির দিন। ৪৭ বছর আগে ১৯৭১ সালের আজকের দিনটিতেই আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটেছিল বাঙালির সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের। ডাক এসেছিল দেশকে হানাদারের কবল থেকে মুক্ত করার। পাকিস্তানি শোষকের হাত থেকে প্রিয় মাতৃভূমিকে স্বাধীন করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বাংলার দামাল ছেলেরা। এরই ধারাবাহিকতায় ৯ মাস বহু ত্যাগ-তিতিক্ষা আর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয়েছিল বিজয় ও সার্বভৌমত্ব। জাতি অর্জন করে স্বাধীন দেশ, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীত।

 

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ আলাদা বাণী দিয়েছেন। এ বছর বাঙালি জাতি স্বাধীনতার ৪৭ বছর উদযাপন হচ্ছে এমন এক মুর্হুতে যখন সবেমাত্র বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের গ্রুপ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন বিশেষ মাত্রা যোগ হয়েছে। একই সাথে গত বছরের অক্টোবরে একাত্তরের ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেয়া সেই কালজয়ী ভাষণও ইউনেস্কোর ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্যর স্বীকৃতি লাভ করে।

 

গোটা জাতি আজ সোমবার শ্রদ্ধাবনত চিত্তে স্মরণ করবে স্বাধীনতার জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের। শ্রদ্ধা জানাবে মুক্তিযুদ্ধের অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তার অবর্তমানে এ যুদ্ধ পরিচালনাকারী তার সহকর্মী চার জাতীয় নেতা এবং বাংলার অকুতোভয় বীর সেনানী মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশ মেতে উঠবে স্বাধীনতার উৎসবে।

 

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যা শুরুর পর মধ্যরাতে অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবন থেকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতারের আগ মুহূর্তে দেওয়া সে ঘোষণায় বঙ্গবন্ধু শত্রুসেনাদের বিতাড়িত করতে শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করার জন্য দেশবাসীকে নির্দেশ দেন। তৎকালীন ইপিআরের ওয়্যারলেস থেকে সে বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয় দেশের সর্বত্র।

 

১৭ এপ্রিল তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার (বর্তমানে জেলা) বৈদ্যনাথতলার নিভৃত এক আমবাগানে শপথ নেয় স্বাধীন বাংলার অস্থায়ী বিপ্লবী সরকার। এ আমবাগানকে পরে ‘মুজিবনগর’ নামকরণ করে বাংলাদেশের অস্থায়ী রাজধানী ঘোষণা করা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে গঠিত এই বিপ্লবী সরকারের নেতৃত্বেই মুক্তিযুদ্ধ আনুষ্ঠানিক কাঠামো লাভ করে।

 

৯ মাস চলা সে মুক্তিযুদ্ধে একদিকে রচিত হয় ইতিহাসের মহীয়ান অধ্যায়, মুক্তিকামী বাংলার মানুষের বীরত্বগাথা। অন্যদিকে, ছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্বিচার গণহত্যা, নারী ধর্ষণ ও লুটতরাজের কলঙ্কিত অধ্যায়। একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় হানাদার বাহিনীর আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণের মাধ্যমে এই মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। ৩০ লাখ মানুষের প্রাণ আর দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নামের স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

 

দিনের কর্মসূচি : সূর্যোদয়ের সময় তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর এলাকায় ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হবে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সব সরকারি-বেসরকারি ভবনের শীর্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ছাড়াও সব সড়ক ও সড়কদ্বীপকে জাতীয় ও রঙিন পতাকায় সজ্জিত করা হবে।


ভোর ৫টা ৫৭ মিনিটে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন অমর শহীদানের প্রতি। শ্রদ্ধা জানাবেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। এ ছাড়া বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা, বিদেশি কূটনীতিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সর্বসাধারণের শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণে ফুলে ফুলে ভরে উঠবে জাতীয় স্মৃতিসৌধ।


জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধার্ঘ শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকাল ৭টায় ধানমণ্ডি বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও সোয়া ৭টায় গণভবনে স্মারক ডাকটিকিট উদ্বোধন করবেন। পরে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোর সমাবেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন।এবারই প্রথম স্বাধীনতা দিবসের দিন সকাল ৮টায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জাতীয় শিশু কিশোর সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে সারাদেশে ও বিদেশে একযোগে একই সময়ে শুদ্ধসুরে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হবে। বিকেল ৫টায় বঙ্গভবনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

 

দেশের শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করে সব মসজিদে বিশেষ মোনাজাত ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। হাসপাতাল, সরকারি শিশুসদন, এতিমখানা এবং কারাগারে বন্দিদের দেওয়া হবে উন্নত খাবার। সন্ধ্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোতে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বাংলাদেশ টেলিভিশন, বেতারসহ বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশনগুলো বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার এবং সংবাদপত্রগুলো বিশেষ সংখ্যা ও নিবন্ধ প্রকাশ করেছে।আজ সোমবার সরকারি ছুটির দিন।


সারাদেশের স্মৃতিসৌধগুলোতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পাশাপাশি জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কুচকাওয়াজ, মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা সভা, চলচ্চিত্র প্রদর্শন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলো অনুরূপ কর্মসূচি পালন করবে।


আওয়ামী লীগ : আওয়ামী লীগের দুইদিনব্যাপী কর্মসূচিতে রয়েছে আজ সূর্যোদয় ক্ষণে বঙ্গবন্ধু ভবন, কেন্দ্রীয় ও দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৬টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও ৭টায় বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ, সকাল ১১টায় কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, মিলাদ ও দোয়া। কাল মঙ্গলবার ২৭ মার্চ বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর ফার্মগেইটস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের রোববার এক বিবৃতিতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ গৃহীত সকল কর্মসূচি দেশবাসীর সাথে একাত্ম হয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার জন্য সংগঠনের সকল শাখাসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহের নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ীসহ সর্বস্তরের জনগণ ও দেশবাসীর প্রতি আহবান জানিয়েছেন।


বিএনপি : তিন দিনের অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে বিএনপি। কারাবন্দি থাকায় দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জাতীয় স্মৃতি সৌধে উপস্থিত থাকতে পারছেন না। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ, ভাইস চেয়ারম্যান ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্যগণসহ সিনিয়র নেতারা সমবেতভাবে সকাল ৯টায় জাতীয় স্মৃতি সৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করবেন। স্মৃতিসৌধ থেকে ফিরে শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দেবেন বিএনপি নেতারা। বিকালে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। কাল মঙ্গলবার ২৭ মার্চ ঢাকায় স্বাধীনতা শোভাযাত্রা এবং ৩১ মার্চ রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা হবে।

 

এ ছাড়া জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, সিপিবি, গণফোরাম, বাসদ, গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, জাতীয় জাদুঘর, বাংলা একাডেমি, শিল্পকলা একাডেমি, শিশু একাডেমি, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, মহিলা পরিষদ, জাতীয় প্রেস ক্লাব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ), ছায়ানট, খেলাঘর, কচিকাঁচার মেলা, চ্যানেল আই, অফিসার্স ক্লাব, তেল গ্যাস খনিজসম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ছাত্র, যুব, নারী, শিশু ও পেশাজীবী সংগঠন দিনব্যাপী বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করবে।

সকাল ৮ টায় একযোগে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন : সকাল ৮টায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জাতীয় শিশু কিশোর সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে সারাদেশে ও বিদেশে একযোগে একই সময়ে শুদ্ধসুরে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হবে। সবাইকে স্ব স্ব অবস্থানে থেকে এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগে এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় শুদ্ধসুরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত চর্চাকে অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে গত ২০ জানুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ দেশব্যাপী প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে দলগত জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। এ প্রতিযোগিতায় ৬৪টি জেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ ও মাদ্রাসার ৬২ লাখ ৫২ হাজার ৩৫৩ জন ছাত্র, ৬৩ লাখ ৭০ হাজার ২৯৫ জন ছাত্রী, মোট ১ কোটি ২৬ লাখ ২২ হাজার ৬৪৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। গত ১৫ মার্চ জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দলকে পুরস্কৃত করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।