ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৫, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:০২:২৪ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

শিক্ষিকাকে বিয়ে করলেন শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৬:২৫ পিএম, ৩১ জুলাই ২০২২ রবিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ইসলাম বিয়েকে সহজ করেছে। ধর্মে কোথাও বিয়ের জন্য বয়স বাঁধা নয়। সাম্প্রতি নাটোরের গুরুদাসপুরের মামুন (২২) ও খাইরুন নাহার (৪০) বিয়ে করে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) ছয় মাস প্রেমের সম্পর্কের পর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তারা। দু'জনের বাড়ি নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায়।

জানা যায়, উপজেলার খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক খাইরুন নাহার। প্রথমে বিয়ে করেছিলেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলায়। প্রথম স্বামীর একজন সন্তানও রয়েছে। পারিবারিক কলহে সংসার বেশিদিন টেকেনি। তারপর কেটে যায় অনেক দিন।

এক পর্যায়ে ফেসবুকে পরিচয় হয় ২২ বছরের যুবক মামুনের সঙ্গে। মামুনের বাড়ি একই উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামে। নাটোর এন এস সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তিনি।

ফেসবুক মেসেঞ্জারে প্রথমে পরিচয়, তারপর গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। ২০২১ সালের ২৪ জুন তাদের প্রথম পরিচয়। তারপর ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বর তারা দুজন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৩ মাসের সম্পর্কে রয়েছে ভালোবাসার গভীরতা। আর এই গভীরতা থেকেই বিয়ে করেন তারা। ছয় মাস আগে বিয়ে করলেও সেটি আত্মগোপনেই ছিল। সপ্তাহখানেক আগে বিয়ের খবরটি ছড়িয়ে পড়ে।

শিক্ষিকা খাইরুন নাহার জানান, প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। প্রতিটা দিন প্রতিটা ক্ষণ তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়তে থাকেন। আত্মহত্যা করারও সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ঠিক সেই সময় ফেসবুকে পরিচয় হয় মামুনের সঙ্গে। মামুন তার খারাপ সময় পাশে থেকে উৎসাহ দিয়েছেন এবং নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখান। মামুন তাকে মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবাসেন। আর সেই ভালোবাসা থেকেই দুজনের সিদ্ধান্তে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে এই বিয়ে মামুনের পরিবার মেনে নিলেও তার পরিবার মেনে নেয়নি। তিনি আজীবন মামুনের সঙ্গে সংসার করে যেতে চান।

মামুন বলেন, মন্তব্য কখনো গন্তব্য ঠেকাতে পারে না। কে কি বললো, সেগুলো মাথায় না নিয়ে নিজেদের মতো সংসার গুছিয়ে নিয়ে জীবন শুরু করেছেন তিনি। সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন মামুন।