ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৬, জুলাই ২০২৬ ৩:৩৭:২৩ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

ক্ষমা চাইলেন অভিনেত্রী পূর্ণিমা

বিনোদন ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ০৫:২৯ পিএম, ২ এপ্রিল ২০১৮ সোমবার | আপডেট: ০৮:৩৭ পিএম, ২ এপ্রিল ২০১৮ সোমবার

অবশেষে ক্ষমা চাইলেন এ সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়কা পূর্ণিমা। তিনি বলেছেন, এ অনুষ্ঠান দেখে আমার কথায় যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন সে জন্য আমি আন্তরিকভাবে দু:খিত। 

দেশজুড়ে জোর সমালোচনা চলছিল বেশ কয়েকদিন ধরেই। গত ২৪ মার্চ বেসরকারি টেলিভিশন আরটিভিতে প্রচারিত বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান ’এবং পূর্ণিমা’র একটি পর্বে অতিথি হয়ে আসেন খলনায়ক মিশা সওদাগর। এ পর্বে চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা চলচ্চিত্র বিষয়ে কথা বলতে বলতে পর্দায় ধর্ষণ দৃশ্য নিয়ে কথা বলেন অতিথির সঙ্গে।

অনুষ্ঠানে পূর্ণিমা অতিথির কাছে জানতে চান, আপনি সিনেমাতে কতবার ধর্ষণ করেছেন? কার সঙ্গে স্বাচ্ছ্যন্দবোধ করতেন ধর্ষণের দৃশ্য করতে?

অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। সমালোচকদের বক্তব্য যেখানে পুরো বাংলাদেশে ধর্ষণের মত একটি নিন্দনীয় ব্যাপার নিয়ে এত আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে সেখানে বিনোদনমূলক এ কি ধরনের আলোচনা? অনুষ্ঠানে পূর্ণিমার এহেন প্রশ্ন হতবাক করে সবাইকে। ধর্ষণ নিয়ে মজার প্রশ্ন!

প্রবল সমালোচনার তোপে আজ সোমবার শেষ পর্যন্ত মুখ খুললেন পূর্ণিমা। ক্ষমা চাইলেন তার কথার জন্য। বললেন, সাধারণ মানুষ এত কিছু বুঝতে চাইবে না। তাদের বোঝার সময় নেই। এটা একটা ফান শো। ফলে এ অনুষ্ঠান দেখে আমার কথায় যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন সে জন্য আমি আন্তরিকভাবে দু:খিত। আপনাদের দু:খ দেয়া জন্য এত কষ্ট করে এই অনুষ্ঠান করি না। আমাদের উদ্দেশ্য আপনাদের আনন্দ দেওয়া।

পূর্ণিমা বলেন, টানা ২০ বছর ধরে আমার সঙ্গে মিশা ভাইয়ের সম্পর্ক। আমি কমপক্ষে ৫০টি ছবিতে এই দৃশ্যে অভিনয় করেছি। সিনেমায় তো খুনাখুনিও হয়। কথা প্রসঙ্গে ধর্ষণের বিষয়টা উঠে এসেছে। এ চরিত্রটি যে কোনো শিল্পীর জন্য কঠিন বিষয়। আমাদের মনে কোনো কালি ছিল না। কিন্তু আমি বড় দোষী হয়ে গেলাম।

এদিকে প্রশ্ন উঠেছে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে ধর্ষণের পরিমান বেড়েছে আর এ বিষয়ে এখন সবাই সোচ্চার হচ্ছে। এমন সময়ে এই হাস্যরসের যৌক্তিকতা কতটুকু?

এমন প্রশ্নে আফসোসের সুরে পূর্ণিমা বলেন, কাছাকাছি সময়ে অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হবার পর উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে পুরো অনুষ্ঠান থেকে শুধু ঐ ভিডিও ক্লিপ দেখিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে। 

তিনি মনে করেন যাকে নিয়ে আলোচনা হয় তাকে নিয়ে সমালোচনাও হয়। তবে পূর্ণিমা কাউকে কোনদিন কষ্ট দেননি কখনো দেবেনও না।

আর অনাকাঙ্খিত এ ঘটনায় পূর্ণিমার আলো যেন নিভুপ্রায়।