বিসিএসে পিছিয়ে নারীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪.কম
প্রকাশিত : ০৭:১২ পিএম, ৯ এপ্রিল ২০১৮ সোমবার | আপডেট: ১১:৩৭ পিএম, ৯ এপ্রিল ২০১৮ সোমবার
দেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীরা এগিয়ে গেলেও বিসিএসের সব বাধা অতিক্রান্ত করে সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছে। বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ হয়। কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে মৌখিক পরীক্ষা শেষে চূড়ান্ত তালিকা করে নিয়োগের সুপারিশ করে সরকারি কর্মকমিশন। যা অনুসরণ করে সরকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়।
সম্প্রতি সংসদের বৈঠকে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১৭, এর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত পাঁচটি বিসিএস পরীক্ষার সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে নারী প্রার্থীর হার দিনকে দিন কমছে।
৩২তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণের ক্ষেত্রে পুরুষের চাইতে এগিয়ে ছিল নারী। ওই পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে নারী ছিল ৫৫ দশমিক ১ শতাংশ, পুরুষ ছিল ৪৪ দশমিক ৯০ শতাংশ। সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বেশি নারী প্রার্থী চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয় ৩৩তম বিসিএসে ৩ হাজার ২৫৫ জন।
এরপর থেকেই নারীর সংখ্যা ক্রমেই কমছে। নারীরা সবচেয়ে কম উত্তীর্ণ হন ৩৬তম বিসিএসে, ৬০৯ জন মাত্র। গত বছর (২০১৭ সালে) চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা ৩৬তম বিসিএস পরীক্ষা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এতে মোট যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ১১ হাজার ২৮২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ছিল ১ লাখ ৪১ হাজাার ২৭০ জন (৬৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ)। আর নারী ৭০ হাজার ৬ জন (৩৩ দশমিক ১৩ শতাংশ) ও তৃতীয় লিঙ্গ ৬ জন (০.০০৩ শতাংশ)।
পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রিলিমিনারি টেস্টে এক লাখ ৯ হাজার ২ জন (৭৯ দশমিক ৭০ শতাংশ) পুরুষ ও ২ হাজার ৭৭৭ জন (২০ দশমিক ৩০ শতাংশ) নারী উত্তীর্ণ হয়। লিখিত পরীক্ষায় ৪ হাজার ৭৮০ জন (৭৯ দশমিক ৮০ শতাংশ) পুরুষ ও ১ হাজার ২১০ জন (২০.২০ শতাংশ) নারী উত্তীর্ণ হয়। এরপর মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে নিয়োগের সুপারিশপ্রাপ্তদের (চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ) মধ্যে ১ হাজার ৭১৪ জন (৭৩.৭৮ শতাংশ) ছিলেন পুরুষ এবং ৬০৯ জন (২৬ দশমিক ২২ শতাংশ) ছিলেন নারী।
