ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৬, জুলাই ২০২৬ ২:০৫:৪৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

উপাচার্যের বাসায় হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনার আহবান

বাসস

উইমেননিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ১১:৫৯ পিএম, ৯ এপ্রিল ২০১৮ সোমবার | আপডেট: ০১:৪১ পিএম, ১০ এপ্রিল ২০১৮ মঙ্গলবার

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) উপাচার্যের বাসায় যারা হামলা চালিয়েছে এবং ইন্ধন দিয়েছে তাদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী।


তিনি আজ সোমবার সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বলেন, রাতের অন্ধকারে বাসভবনে হামলা চালিয়ে উপাচর্যের গায়ে হাত দেয়া, ভাংচুর ও তান্ডব চালানো, এটা কোন দুর্ঘটনা নয়, এটি জঘন্য অপরাধ। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়।


মন্ত্রী বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের নামে সাধারণ ছাত্রদের ব্যবহার করে পরিকল্পিতভাবে গতকাল এই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। এরা ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরের বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের উত্তরসূরি।


তিনি বলেন, মূল গাত্রদাহ মুক্তিযোদ্ধা কোটা। পৃথিবীর দেশে দেশে যারা স্বাধীনতার জন্য জীবনবাজি রাখে তাদের সন্তানদের জন্য বিশেষ সুযোগ থাকে। এদের দাবি রাজাকারের সন্তানদের জন্য মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কোটা সংকুচিত করা। পরিস্কার বলতে চাই মুক্তিযুদ্ধ করেছি, মুক্তিযুদ্ধ চলছে-মুক্তিযুদ্ধ চলবে এবং রাজাকারের বংশধরদের অবশ্যই আমরা দেখে নেব। তবে ছাত্রদের বিরুদ্ধে আমাদের কোন রাগ নেই। কারণ ফেইসবুকে যারা স্ট্যাটাস দিয়েছে এরাতো ছাত্র না, এরা মতলববাজ, স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-শিবিরের এজেন্ট। এদের সম্পর্কে সামান্যতম শৈথিল্য আমরা দেখতে চাই না।


মতিয়া চৌধুরী বলেন, অভাবে অনটনে থেকে গ্রামের স্কুলে যে ছাত্রটি পড়াশুনা করে তার গ্রুমিং আর ঢাকা শহরের নামীদামী স্কুলে যে পড়াশুনা করে তার গ্রুমিং এক হবে না। সে আবছায়ায় আছে তাকে আলোতে আনতে অবশ্যই বিশেষ সুবিধা দিতে হবে, এটাই দেশের শাসনতন্ত্রে রয়েছে।


তিনি বলেন, সমপর্যায়ে এনে সমান সুযোগ দিয়ে তারপর মেধার বিচার করবেন। 

মন্ত্রী বলেন, এদের কোন ক্ষমা নেই, এদের ক্ষমা করা যাবে না। হয় এরা এদেশে থাকবে, না হয় আমরা থাকবো। এটাই হোক আজকের অঙ্গীকার।


একই বিষয়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে আরো বক্তব্য রাখেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, সরকারি দলের সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিন ও জাতীয় পার্টির সদস্য রুস্তম আলী ফরাজী।