ঢাকা, বুধবার ১১, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:৩১:২০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

দেশজুড়ে আজ পালিত হচ্ছে কন্যাশিশু দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:১৫ এএম, ৪ অক্টোবর ২০২২ মঙ্গলবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এই শিশুদের অধিকাংশই যে কন্যাশিশু, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এই শিশুদের যত্নের কথা চিন্তা করে আজ (মঙ্গলবার) সরকারিভাবে পালিত হচ্ছে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস। 

‘সময়ের অঙ্গীকার, কন্যাশিশুর অধিকার’- এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ বছর দিবসটি পালিত হচ্ছে।

২৯ সেপ্টেম্বর ছিল শিশু অধিকার দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ। ৩০ সেপ্টেম্বর ছিল জাতীয় কন্যাশিশু দিবস। তবে দিবসগুলো সরকারিভাবে পালিত হচ্ছে সোম ও মঙ্গলবার। 

এ বিষয়ে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. আলমগীর হোসেন বলেন, আমরা জাতীয় ও সরকারিভাবে প্রতিবছরের মতো অক্টোবরের প্রথম সোমবার বিশ্ব শিশু দিবস পালন করি। ৪-১১ অক্টোবর পর্যন্ত পালন করা হবে শিশু অধিকার সপ্তাহ। ৪ অক্টোবর পালিত হচ্ছে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস। দিবসগুলো ঘিরে শিশু উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় কন্যাশিশু দিবস ২০২২ পালন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। বাণীতে কন্যা শিশুদের সার্বিক সুরক্ষা ও উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান সর্বোপরি সমাজ ও পরিবারকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কন্যা শিশুদের যথাযথ শিক্ষা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছেন।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, আজকের কন্যাশিশু আগামী দিনের নারী। তাই সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে প্রতিটি কন্যাশিশুর অধিকার, শিক্ষা, পুষ্টি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য।

তিনি বলেন, নারীর সার্বিক অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে বাল্যবিবাহ, যৌতুক, ইভটিজিং প্রতিরোধসহ সামাজিক ও পারিবারিক বৈষম্য ও নির্যাতন থেকে কন্যা শিশুদের সুরক্ষিত রাখতে হবে।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোখ্য অংশ হচ্ছে কন্যা শিশু। আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কন্যা শিশুদের যথাযথ শিক্ষা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। আমার বিশ্বাস- কন্যা শিশুদের বিকশিত হওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে, তারা যোগ্য ও দক্ষ নাগরিক হয়ে উঠবে এবং সরকারের রুপকল্প বাস্তবায়নে তথা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।