ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৬, জুলাই ২০২৬ ১:০২:১৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

ঐক্যের আহবানে মঙ্গল শোভাযাত্রা

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ০১:২৫ পিএম, ১৪ এপ্রিল ২০১৮ শনিবার | আপডেট: ০২:১২ পিএম, ১৫ এপ্রিল ২০১৮ রবিবার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে নাচে গানে বিভিন্ন আয়োজনে সকাল ৯টা বের হয় মঙ্গলশোভাযাত্রা। মঙ্গল শোভাযাত্রা ১লা বৈশাখের অন্যতম আকর্ষণ। এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় মা পাখি সাথে ছানা, হাতি, মাছ ও বক, মহিষ, সূর্য, টেপা পুতুল এবং সাইকেলে মা ও মেয়ে–এই ৭টি মোটিফ স্থান পেয়েছে।

 

শনিবার সকাল ৯টায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামানের উপস্থিতিতে শোভাযাত্রা শুরু হয়। শোভাযাত্রায় যোগ দিতে সকাল থেকে ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে নানা বয়সীরা জড়ো হন। দলে দলে মানুষ শুভ্র, সুন্দর, কল্যাণ ও আনন্দের সঙ্গে শোভাযাত্রা।

 

শোভাযাত্রাটি শাহবাগ হয়ে শেরাটন হোটেল, সেখান থেকে ইউটার্ন করে টিএসসি ঘুরে আবার চারুকলার সামনে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রাটি ছিল নিরাপত্তার চাদরে ঘেরা। সামনে, পেছনে, ডানে, বামে ছিলেন পুলিশ, সোয়াট, ডিবি ও র‍্যাবের অসংখ্য সদস্য। কেবল শোভাযাত্রার চারপাশে নয়, আকাশেও ছিল র‍্যাবের হেলিকপ্টারের টহল।

 

বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখে নতুন একটি বার্তা নিয়ে হাজির হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। দেশ ও জাতির জন্য আকল্যাণকর অশুভকে প্রতিহত ও সুন্দর-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় থাকে প্রতিপাদ্যে। তাই এবারের পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য ধরা হয়েছে লালনের অমর বাণী, মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি। 

 

১৯৮৫ সালের চারুপীঠ নামের একটি সংগঠন যশোরে প্রথমবারের মত নববর্ষ উপলক্ষ্যে আনন্দ শোভাযাত্রা আয়োজন করে। পাপেট,প্রতিকৃতি,পুরোনো বাদ্যযন্ত্র এবং অন্যান্য শিল্পকর্ম নিয়ে এই শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ১৯৮৯ সাল থেকে ঢাকা চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীরা প্রতি বছর পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করে। ২০১৬ সালে ৩০ নভেম্বর জাতিসংঘের শিক্ষা,বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্ক) মঙ্গল শোভাযাত্রাকে সার্বজনীন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।