ঢাকা, বুধবার ২২, জুলাই ২০২৬ ১৮:৩৯:৩২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

সোহাগপুরের বিধবা নারীরা মৃত্যুদন্ডের অপেক্ষায়

প্রকাশিত : ০৩:২২ পিএম, ৫ নভেম্বর ২০১৪ বুধবার | আপডেট: ০৩:২২ পিএম, ৫ নভেম্বর ২০১৪ বুধবার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,উইমেননিউজ২৪.কম, শেরপুর : সোহাগপুর হত্যাযজ্ঞের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের শিরোমনি যুদ্ধাপরাধী কামারুজ্জামানের মৃত্যুদন্ডের অপেক্ষায় এখন সোহাগপুরের বিধবা মায়েরা। দেশের সীমান্তের জেলা শেরপুরের শেষ সীমান্তে নালিতাবাড়ী। মুসলমান, হিন্দু. খ্রীষ্টান ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি গারোসহ নানা আদিবাসী নিয়ে সব সময়ই খাদ্যে উদ্বৃত্ত অসাম্প্রদায়িক উজ্জলতায় আলোকিত নালিতাবাড়ী। ১৯৭১ সনে পাকিস্তানী হানাদারদের সাথে সহযোগী বর্বর রাজাকার-আলবদরদের হাতে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে এই জনপদ। বর্বরদের প্রতিরোধে যেমন বিশাল গৌরব ধারন করে নালিতাবাড়ী, তেমনি হায়েনার নখরের ভয়াবহ স্মৃতি এখনো তাড়া করে ফেরে এলাকাবাসীকে। তারই একটি ছোট্ট চিত্র সোহাগপুর । বর্বর বাহিনী এই ছোট্ট গ্রামটির সব পুরুষকে হত্যা করেছে একদিনের অভিযানে । সেই থেকে সোহাগপুরের গ্রামটির নাম হয়েছে ’বিধবা' পল্লী’। ১৯৯৬ সনের আগে এই বিধবা মায়েদের সাহায্যতো দূরের কথা কোন স্বীকৃতি বা সামাজিক মর্যাদাও দেয়া হয়নি । নাগরিক প্রামান্যচিত্র তৈরী কারক বা নাটক বানানে ওয়ালারাও কেউ সেখানে যাননি, আর রাজনীতিতো তখন ঘাতকদের নিয়ন্ত্রণেই । তবে প্রতিবছর নালিতাবাড়ী আর শেরপুরের সাংবাদিকরা সোহাগপুর নিয়ে মানবিক প্রতিবেদন তৈরি করেছেন অসীম মমতা নিয়ে। শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনার সরকার এগিয়ে এসেছে। সেই বিধবা আর শহীদের সন্তানদের আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন, মর্যাদা পেয়েছেন। স্থানীয়ভাবে ’কমরু রাজাকার’ নামে পরিচিত কামারুজ্জামানের এই চূড়ান্ত পরিণতি দেখার জন্যই হয়তো বেঁচে আছেন কয়েকজন বিধবা নারী। ০৫.১১.২০১৪