ঢাকা, সোমবার ২৩, মার্চ ২০২৬ ৫:১২:৪৮ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

বিশ্ববাজারে বেড়েছে গমের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:১৫ পিএম, ১ নভেম্বর ২০২২ মঙ্গলবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

 কৃষ্ণ সাগর রপ্তানি চুক্তি থেকে রাশিয়া সরে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে খাদ্যশস্য সরবরাহ নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রাশিয়া এই চুক্তি স্থগিত করার পর বিশ্ববাজারে গমের দাম একলাফে প্রায় ৬ শতাংশ এবং ভুট্টার দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
সোমবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডের (সিবিওটি) সবচেয়ে সক্রিয় প্রতি বুশেল বা ৩৫.২ লিটার গমের দাম ৫ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে প্রতি বুশেল গম ৮ দশমিক ৭৭ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। সোমবার দিনের শুরুতে শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে গমের দাম প্রতি বুশেল সর্বোচ্চ ৮ দশমিক ৯৩ ডলারে পৌঁছায়।

এর আগে, গত মার্চে প্রতি বুশেল গমের দাম রেকর্ড ১৩ দশমিক ৬৪ ডলারে পৌঁছেছিল। শিকাগো ট্রেডে প্রতি বুশেল ভুট্টার দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৬ দশমিক ৯৮ ডলার হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতি বুশেল সয়াবিনের দাম শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ১৪ দশমিক ০৯ ডলারে পৌঁছেছে।

দখলকৃত কৃষ্ণ সাগরের ক্রিমিয়া উপদ্বীপের কাছে রুশ নৌবহরে ইউক্রেনের বড় ধরনের ড্রোন হামলার পর শনিবার কৃষ্ণ সাগর খাদ্যশস্য চুক্তিতে অংশগ্রহণ স্থগিত করেছে মস্কো।

কিয়েভ বলেছে, চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার জন্য পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী রাশিয়া একটি অজুহাত তৈরি করেছে। অন্যদিকে, ওয়াশিংটন বলেছে, খাদ্যকে অস্ত্র বানাচ্ছে রাশিয়া।

জাতিসংঘ, তুরস্ক এবং ইউক্রেন বলেছে, শস্য রপ্তানি চুক্তি অনুযায়ী সোমবার অন্তত ১৬টি জাহাজের জন্য একটি ট্রানজিট পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে তারা।

বিশ্বের অন্যতম দুই প্রধান খাদ্য ও জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশের মধ্যে ৮ মাসের বেশি সময় ধরে চলমান যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে খাদ্য ও জ্বালানি সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বৈশ্বিক এই সংকটের সমাধানে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় গত ২২ জুলাই কিয়েভ এবং মস্কোর কর্মকর্তারা ইউক্রেনে আটকা আড়াই কোটি টন গম ও ভুট্টা বিশ্ববাজারে সরবরাহের লক্ষ্যে তুরস্কে ওই চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় এই শস্য চুক্তির আওতায় ইউক্রেনে আটকা শস্য বহনকারী বিভিন্ন বাণিজ্যিক জাহাজ যেন নিরাপদে কৃষ্ণসাগরে চলাচল করতে পারে, সেজন্য তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় একটি যৌথ সমন্বয় কেন্দ্র খোলা হয়। সেই কেন্দ্র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে জাতিসংঘ, রাশিয়া ও তুরস্ক।