ইবি ছাত্রীর মোহরানা ১০১ বই
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০৯:১৩ এএম, ৭ নভেম্বর ২০২২ সোমবার
ফাইল ছবি
বিয়ের অন্যতম আকর্ষণ মোহরানা। এই মোহরানা নিয়ে কতইনা গল্প মানুষের। কোনো কোনো পরিবারেতো মোহরানাকে কেন্দ্র করে হট্টগোল বাধিয়ে দেয় পাত্র বা পাত্রী পক্ষের সঙ্গে। স্বর্ণালংকার এবং টাকার বিকল্প মোহরানা যে হতে পারে, তা ভাবতেই পারে না পরিবারগুলো। বিয়ের প্রধান অনুষঙ্গ এই মোহরানাকে নিমিষেই দূরে ঠেলে দিলেন সুমাইয়া পারভীন অন্তরা।
তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী। তার বর হচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী রুহুল মিথুন। তাদরে বাড়ি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায়।
গত ২৯ অক্টোবর পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয় এ দুজনের সঙ্গে। বিয়ের আসরেই ১০১টি বই হস্তান্তরের মধ্যদিয়ে বিয়ে সম্পন্ন হয়। বইগুলো নিয়ে পারিবারিক গ্রন্থাগার গড়ার কথা জানান তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুমাইয়া পারভীন অন্তরা বলেন, সবাই ভাবে বিয়েতে অর্থ ও স্বর্ণালংকারই কেবল দেনমোহর হতে পারে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় জানতে পারি অন্য কিছুতেও দেনমোহর হতে পারে। তখনই সিদ্ধান্ত নিয়েছি বিয়েতে বই চাইবো দেনমোহর হিসেবে। বিয়ের সময় আমার ইচ্ছের কথা বাবা-মাকে জানালে তারাও সম্মতি দেন এবং বইয়ের নাম সংগ্রহ করার পরামর্শ দেন তারা। এরপর আমি পছন্দের ১০১টি বইয়ের নাম সংগ্রহ শুরু করি। পারিবারিক ভাবে আমাদের বিয়ে ঠিক হয়। আমার প্রত্যাশা অনুযায়ী ১০১টি বই নগদ হস্তান্তর করে বর পক্ষ।
তিনি বলেন, যে ভালোবাসে সে এমনিতেই সঙ্গে থাকবে। এছাড়া আমার স্বামীর কাঁধে দেনমোহরের এই ঋণের বোঝা থাকুক এটাও আমি চাইনি। সমাজে উচ্চহারে দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু সেই দেনমোহরের অধিকাংশই অপরিশোধিত থাকে। এজন্য ছাত্রজীবনেই এই সিদ্ধান্ত নেই।
বর রুহুল মিথুন বলেন, বিয়ের আগে দুই পরিবারের আলোচনায় আমার শ্বশুর তার মেয়ের ইচ্ছের কথা জানান এবং ১০১টি বইয়ের লিস্ট দেন। বইগুলো খুঁজে পেতে কিছুটা কষ্ট হয়েছে তবে উপভোগ করেছি। আমারও ছোটবেলা থেকে বইয়ের প্রতি ভালোবাসা ছিল, যে কারণে বই প্রেমী কাউকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।
জনতারকণ্ঠ//এলএইচ//
সিএনএস ডটকম//এল//
চিত্রদেশ ডটকম//এফটি//
সিটিনিউজ সেভেন ডটকম//আর//
ইবি ছাত্রীর মোহরানা ১০১ বই
ধর্ম ডেস্ক:
প্রযুক্তি ডেস্ক:
চাকরি ডেস্ক:
স্পোটর্স ডেস্ক:
লাইফস্টাইল ডেস্ক:
বিনোদন ডেস্ক:
বরিশাল প্রতিনিধি:
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
স্টাফ রিপোর্টার:
বিয়ের অন্যতম আকর্ষণ মোহরানা। এই মোহরানা নিয়ে কতইনা গল্প মানুষের। কোনো কোনো পরিবারেতো মোহরানাকে কেন্দ্র করে হট্টগোল বাধিয়ে দেয় পাত্র বা পাত্রী পক্ষের সঙ্গে। স্বর্ণালংকার এবং টাকার বিকল্প মোহরানা যে হতে পারে, তা ভাবতেই পারে না পরিবারগুলো। বিয়ের প্রধান অনুষঙ্গ এই মোহরানাকে নিমিষেই দূরে ঠেলে দিলেন সুমাইয়া পারভীন অন্তরা।
তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী। তার বর হচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী রুহুল মিথুন। তাদরে বাড়ি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায়।
গত ২৯ অক্টোবর পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয় এ দুজনের সঙ্গে। বিয়ের আসরেই ১০১টি বই হস্তান্তরের মধ্যদিয়ে বিয়ে সম্পন্ন হয়। বইগুলো নিয়ে পারিবারিক গ্রন্থাগার গড়ার কথা জানান তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুমাইয়া পারভীন অন্তরা বলেন, সবাই ভাবে বিয়েতে অর্থ ও স্বর্ণালংকারই কেবল দেনমোহর হতে পারে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় জানতে পারি অন্য কিছুতেও দেনমোহর হতে পারে। তখনই সিদ্ধান্ত নিয়েছি বিয়েতে বই চাইবো দেনমোহর হিসেবে। বিয়ের সময় আমার ইচ্ছের কথা বাবা-মাকে জানালে তারাও সম্মতি দেন এবং বইয়ের নাম সংগ্রহ করার পরামর্শ দেন তারা। এরপর আমি পছন্দের ১০১টি বইয়ের নাম সংগ্রহ শুরু করি। পারিবারিক ভাবে আমাদের বিয়ে ঠিক হয়। আমার প্রত্যাশা অনুযায়ী ১০১টি বই নগদ হস্তান্তর করে বর পক্ষ।
তিনি বলেন, যে ভালোবাসে সে এমনিতেই সঙ্গে থাকবে। এছাড়া আমার স্বামীর কাঁধে দেনমোহরের এই ঋণের বোঝা থাকুক এটাও আমি চাইনি। সমাজে উচ্চহারে দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু সেই দেনমোহরের অধিকাংশই অপরিশোধিত থাকে। এজন্য ছাত্রজীবনেই এই সিদ্ধান্ত নেই।
বর রুহুল মিথুন বলেন, বিয়ের আগে দুই পরিবারের আলোচনায় আমার শ্বশুর তার মেয়ের ইচ্ছের কথা জানান এবং ১০১টি বইয়ের লিস্ট দেন। বইগুলো খুঁজে পেতে কিছুটা কষ্ট হয়েছে তবে উপভোগ করেছি। আমারও ছোটবেলা থেকে বইয়ের প্রতি ভালোবাসা ছিল, যে কারণে বই প্রেমী কাউকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।
