নারীদের খাদ্য নিরাপত্তায় ‘বেনিফিট কর্মসূচি’
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ১২:০০ পিএম, ৮ নভেম্বর ২০২২ মঙ্গলবার
ফাইল ছবি
ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) কর্মসূচি অসহায় নারীদের খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা ও পুষ্টিহীনতা রোধ এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।
সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট অ্যাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, গ্রামীণ দুঃস্থ নারীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বৃহত্তর সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি ভিডব্লিউবি। এতে উপকারভোগী হবেন অসচ্ছল, বিধবা ও তালাকপ্রাপ্তা নারী, যাদের পরিবারে উপার্জনক্ষম সদস্য বা নিয়মিত আয় নেই। এছাড়া, ২০ থেকে ৫০ বছর বয়সী ভূমিহীন নারী ও যাদের জমির পরিমাণ ০.১৫ শতকের কম, তারাও সুবিধা পাবেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, উপকারভোগীরা ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাস থেকে দুই বছরে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল পাবেন। ২০২৫- ২০২৬ সাল থেকে ১৫ লাখ উপকারভোগী এই কর্মসূচি আওতায় সহায়তা পাবেন। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, তথ্য আপা, স্থানীয় কম্পিউটারের দোকান থেকৈ ১০৯ ও ৩৩৩ হটলাইন নাম্বারে কল করে আবেদন করা যাবে। পার্বত্য ও দুর্গম এলাকায় যেখানে ইন্টারনেট সংযোগ নেই, সেখানে মোবাইল অ্যাপ ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট কার্যক্রমের মাধ্যমে অফলাইনে আবেদনের সুযোগ আছে। আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ৭ থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত।
প্রতিমন্ত্রী জানান, যেসব পরিবার দিনমজুরি থেকে জীবিকা নির্বাহ করে; মাটির দেওয়াল, পাটকাঠি বা বাঁশের তৈরি ঘরে থাকে; যে পরিবারে কিশোরী বা ১৫-১৮ বছর বয়সী মেয়ে, অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী সন্তান আছে তারা অগ্রাধিকার পাবেন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হালনাগাদ করা উপজেলার পোভার্টি ম্যাপ অনুযায়ী উপজেলাভিত্তিক উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে।
তিনি আরও জানান, ৬৪ জেলার ৪৯২ উপজেলায় সব ইউনিয়নে ডিডব্লিউবি কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে। পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট বাস্তবায়ন বা কার্ড দেওয়া হবে না। ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর কোনো ইউনিয়ন, পৌরসভা, সিটি কর্পোরশনের অন্তর্ভুক্ত হলেও উপকারভোগীদের খাদ্য সহায়তা ও প্রশিক্ষণ চালু থাকবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল, মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফরিদা পারভীন ও অতিরিক্ত সচিব ড. মহিউদ্দীন আহমেদসহ বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির প্রতিনিধিরা।
