তাসফিয়ার মতো মৃত্যু যেন কারো না হয়
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪.কম
প্রকাশিত : ০৪:০৩ পিএম, ৩ মে ২০১৮ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০৭:০৫ পিএম, ৩ মে ২০১৮ বৃহস্পতিবার
‘তাসফিয়ার মতো করুণ মৃত্যু যেন আর কারও না হয়। এ ধরনের নির্মম হত্যাকাণ্ড বন্ধে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। আমরা চাই তাসফিয়ার ঘটনাই যেন বাংলাদেশের ইতিহাসে শেষ ঘটনা হয়।’
চট্টগ্রাম শহরের সানশাইন স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী তাসফিয়ার আমিনের খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে স্কুলের অধ্যক্ষ সাফিয়া গাজী রহমান এসব কথা বলেন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সানশাইন স্কুলের সামনে ‘মহানগরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।
সাফিয়া গাজী রহমান বলেন, আমরা শোকাহত। সন্তান হারানোর বেদনা আমরা উপলব্ধি করছি। তাসফিয়ার এ ঘটনা থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। মা-বাবা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অতি সচেতন হতে হবে।
তিনি আরো বলেন, একজন শিক্ষার্থী মাত্র পাঁচ-ছয় ঘণ্টা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থাকে। এর বাইরে বড় একটি সময় শিক্ষার্থীরা বাসায় থাকে। তাই মা-বাবা বা অভিভাবকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকতে হবে। তাদের কাউন্সেলিং করতে হবে।
তিনি বলেন, তাসফিয়ার খুনিদের যদি ফাঁসি হয় তবে এ ধরনের ঘটনা বাংলাদেশে আর ঘটবে না।
স্কুলছাত্রী তাসফিয়া আমিন (১৬) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আটক আদনান মির্জাকে প্রধান আসামি করে ৬ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৩ মে) দুপুরের দিকে তাসফিয়ার বাবা মোহাম্মদ আমিন বাদী হয়ে নগরের পতেঙ্গা থানায় এ মামলায় দায়ের করেন।
গত বুধবার সকালে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের ১৮ নম্বর ব্রিজঘাটের পাথরের ওপর থেকে সা্নসাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী তাসফিয়া আমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পতেঙ্গা থানা পুলিশ। পরে একই দিন সন্ধ্যায় নগরের খুলশী থানার জালালাবাদ হাউজিং সোসাইটি এলাকা থেকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাসফিয়ার বন্ধু আদনান মির্জাকে (১৬) আটক করে। আটক আদনান মির্জা বাংলাদেশ এলিমেন্টারি স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র এবং ব্যবসায়ী ইস্কান্দার মির্জার ছেলে।
