খোশ আমদেদ মাহে রমজান
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪.কম
প্রকাশিত : ১২:৪১ পিএম, ১৮ মে ২০১৮ শুক্রবার | আপডেট: ০৪:২১ পিএম, ১৮ মে ২০১৮ শুক্রবার
আজ পবিত্র মাহে রমযান। খোশ আমদেদ মাহে রমযান। ২য় হিজরীর শাবান মাসে ফরজ হয় পবিত্র রমজান মাসের রোজা। সাওম পালনের অপরিহার্যতা নিয়ে এরশাদ আছে কুরআনুল কারিমে।
এক্ষেত্রে পবিত্র কোরানের যে আয়াতটি নাযিল হয়, তা হলো-‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোযা ফরজ করা হয়েছে, যেভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করতে পারো’। (সুরা: বাকারা, আয়াত: ১৮৩)। কুরআনুল কারিমে আরো বলা হয়েছে: ‘তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এই মাস পাবে, সে যেন রোযা রাখে’। (সুরা: বাকারা, আয়াত: ১৮৫)। রমজান শব্দটি এসেছে আরবি শব্দের ‘রমজ’ থেকে। এর অর্থ জ্বালিয়ে দেওয়া, পোড়ানো ও ভস্ম করে দেওয়া। বান্দা যেহেতু এই মাসে তার কুপ্রবৃত্তিসমূহ জ্বালিয়ে ভস্ম করে দেয়, তাই একে রমজান বলে। গুনাহের বোঝা দরবারে নিজেকে পেশ করে আল্লাহতাআলারই অনুগত হিসেবে, আর এতেই নিহিত রমজানের উদ্দেশ্য। রমজান মাসের ফরজকৃত রোজা পালনে আছে ফজিলত ও বরকত। রয়েছে রহমতের সীমাহীন ক্ষেত্র।
এই মাস এলেই আল্লাহ পাক তার বান্দার প্রতি দয়ার দৃষ্টি বাড়িয়ে দেন, আমলনামা ভরপুর করে দেন অজ¯্র নেকী ও নেয়ামতে। হাদিস শরীফে এসেছে, ‘যখন রমজান মাস আসে, আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়, আর শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা হয়’। (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)। রমযানে লাইলাতুল ক্বদর এমন এক রাত, যা কেবল এ মাসেই পাওয়া যায়। ক্বদর রজনীর রয়েছে অতুলনীয় ও অনন্য শ্রেষ্ঠত্ব। এই রাতকে দেয়া হয়েছে সহস্র মাসের চেয়েও অধিক মর্যাদা। নিঃসন্দেহে এই রজনী আমাদের জন্য রহমত ও বরকতের। রমযান মাসে বেশি বেশি কুরআন পাঠের ফলে রহমতের দরজা উম্মুক্ত হয় এবং নাজাতের পথ আরো সুগম হয়।
এছাড়া যাকাত-সদকার উদ্ধৃত অংশ দরিদ্রকে রমজান শেষ হওয়ার আগেই দিয়ে দিতে হবে। মা-বাবা, পাড়া-পড়শীর অধিকারসহ প্রত্যেক মানুষের প্রাপ্য হক ফিরিয়ে দেওয়া আমাদের কর্তব্য। নইলে জীবন থেকে রহমতের একটি মাস বিফলে যেতে পারে। মোট কথা ,রমজান মাস রহমতের মাস। এই মাসে আমরা ইবাদত,নিয়্যত ঠিক রেখে,আমাদের কুরিপু দমন করে আগামী দিনের পথে এগিয়ে যাব,প্রত্যাশা হোক এটাই।
