ঢাকা, শনিবার ০৭, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:৫০:৩৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের নারী সমাজের এক অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব

বাসস

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:৫৬ এএম, ২০ জুন ২০২৩ মঙ্গলবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, কবি সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের নারী সমাজের এক অনুকরণীয় উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। তিনি নারী সমাজকে কুসংস্কার আর অবরোধের বেড়াজাল থেকে মুক্ত করতে আমৃত্যু সংগ্রাম করে গেছেন।
রাষ্ট্রপতি কবি বেগম সুফিয়া কামালের ১১২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেয়া এক বাণীতে একথা বলেন।  সুফিয়া কামালের জন্ম ১৯১১ সালের ২০ জুন। তৎকালীন বাঙালি মুসলমান নারীদের লেখাপড়ার সুযোগ সীমিত থাকলেও সুফিয়া কামাল নিজ চেষ্টায় লেখাপড়া করেন এবং ছোটবেলা থেকেই কবিতাচর্চা শুরু করেন।  নারী জাগরণের অন্যতম পথিকৃৎ এই কবির জন্মবার্ষিকীতে তিনি তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।  
মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেন, সুললিত ভাষা ও ব্যঞ্জনাময় ছন্দে তাঁর কবিতায় ফুটে উঠত সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের পাশাপাশি সমাজের সার্বিক চিত্র। নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়া ছিলেন তাঁর অনুপ্রেরণার উৎস। ১৯২৬ সালে কবির প্রথম কবিতা ‘বাসন্তী’ প্রকাশিত হয় সওগাত পত্রিকায়৷ ১৯৩৮ সালে প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সাঁঝের মায়া’ প্রকাশিত হলে রবীন্দ্রনাথ এ কাব্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ কাব্যগ্রন্থের ভূমিকা লিখেন কাজী নজরুল ইসলাম। সুফিয়া কামাল সুদীর্ঘকাল ধরে সাহিত্যচর্চা, সমাজসেবা ও নারী কল্যাণমূলক কাজে নিজেকে নিবেদিত রেখেছিলেন। 
কবি সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের নারী সমাজের এক অনুকরণীয় উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন,  বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুফিয়া কামাল নারী সমাজকে কুসংস্কার আর অবরোধের বেড়াজাল থেকে মুক্ত করতে আমৃত্যু সংগ্রাম করে গেছেন। দেশের সকল প্রগতিশীল আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। নারীদের সংগঠিত করে মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা, দেশাত্মবোধ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে তিনি ছিলেন পথিকৃৎ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নারী-পুরুষের সমতাপূর্ণ একটি মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই ছিল সুফিয়া কামালের জীবনব্যাপী সংগ্রামের প্রধান লক্ষ্য। 
তিনি বলেন, কবি সুফিয়া কামাল রচিত সাহিত্যকর্ম নতুন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গভীর দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করবে তাঁর  বিশ্বাস। রাষ্ট্রপতি  মহীয়সী এ নারীর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।