ঢাকা, বুধবার ১৫, জুলাই ২০২৬ ১৬:৫৭:৩৪ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

মাদকবিরোধী অভিযান হঠাৎ করে শুরু করিনি : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ০৬:২২ পিএম, ৩০ মে ২০১৮ বুধবার | আপডেট: ০১:১৪ এএম, ৩১ মে ২০১৮ বৃহস্পতিবার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মাদকবিরোধী অভিযানে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। আমি যখন ধরি, ভালো করেই ধরি। মাদকের সঙ্গে জড়িত গডফাদার-ডন, কেউ ছাড় পাবে না। মাদকবিরোধী অভিযান হঠাৎ করে শুরু করিনি।

 


সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে আজ বুধবার বিকেলে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কে কি গড ফাদার আমরা দেখছি না। আমি যখন ধরি, ভালো করেই ধরি। তা জানেন তো। কার ভাই, কার আত্মীয় তা দেখা হবে না। আমরা মাদকবিরোধী অভিযান হঠাৎ করে শুরু করিনি। অনেক দিন ধরে দেখে তারপর এ অভিযান শুরু হয়েছে।

 

তিনি বলেন, এ অভিযানে এ পর্যন্ত ১০ হাজারের ওপর গ্রেফতার হয়েছে। কোন পত্রিকায় কত গ্রেফতার হয়, মিডিয়ায় তা বলা হয় না।

 

শেখ হাসিনা বলেন, যখন পুলিশ, র‍্যাব কোথাও অভিযানে যায়, আর সেখানে যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে, কোনো নিরীহ ব্যক্তি শিকার হয় তবে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা নেব।

 


এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যদি বলেন, ভেজালবিরোধী-মাদকবিরোধী অভিযান বন্ধ করে দিই। এ ধরনের অভিযান চালাতে গেলে কিছু ঘটনা ঘটে।

 

পশ্চিমবঙ্গ ডি.লিট ডিগ্রি পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি প্রথমশ্রেণীর জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, আপনি পুরস্কার আরও পেয়েছেন, আরও পাবেন, কিন্তু যে পুরস্কারের প্রাপ্য আপনি, তা এখনও পাননি, সেটা শান্তিতে নোবেল পুরস্কার। এটি প্রাপ্তিতে লবিস্ট নিয়োগ করতে হবে। এজন্য এখন থেকেই প্রক্রিয়া শুরুর আহ্বান জানাই।

 

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, লবিস্ট নিয়োগ করে পুরস্কার পেতে অামি চাই না। পুরস্কারের প্রতি আমার  কোনো প্রবৃত্তি নেই। এখন পর্যন্ত যত পুরস্কার পেয়েছি তারা-ই নির্বাচন করেছে আমাকে। কোনো পুরস্কারের জন্য লবিস্ট নিয়োগের আর্থিক সামর্থ্যও নেই আমার। বরং টাকা থাকলে আমার গরিবের মাঝে বিলিয়ে দিতে চাই। আমি চাই আমার দেশের মানুষ যেন দু`বেলা দু`মুঠো খেতে পারে।

 

সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, এতে তিস্তা চুক্তির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো কথা হয়েছে কি-না, প্রশ্ন করা হলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সফরে গিয়েছি বাংলাদেশ ভবন উদ্বোধনে, সেদিকেই আমাদের গুরুত্ব ছিল। আর তিস্তা চুক্তির বিষয়ে আমাদের দু`দেশের যৌথ নদী কমিশন আছে, সেখানে আলোচনা চলছে।

 

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আমি কোনও কিছুতেই কারও ওপরই ভরসা করে চলি না। আমার দেশের পানির ব্যবস্থা কীভাবে করতে হবে সেটা আমি করে যাচ্ছি। নদী ড্রেজিং করছি। জলাধার তৈরি, পুকুর খনন করছি। পানি যাতে ধরে রাখা যায়, সেই ব্যবস্থা করছি।