ঢাকা, বুধবার ২২, জুলাই ২০২৬ ১৩:৪৭:২৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

হরতাল-অবরোধ নয়;নিরাপত্তা চাই

প্রকাশিত : ০৬:৫৯ এএম, ২৪ জানুয়ারি ২০১৫ শনিবার | আপডেট: ০৬:৫৯ এএম, ২৪ জানুয়ারি ২০১৫ শনিবার

ঢাকা : রাজনৈতিক অস্থিরতায় উত্তাল দেশ। হরতাল আর অবরোধের ফাঁদে আটকে গেছে সাধারণ মানুষের জীবন। অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন তারা। রাজনীতির বেড়াজালে বন্ধি হয়ে গেছে সকলের জীবন ও কর্ম। শ্রমজীবী, খেটে খাওয়া নারী-পুরুষের বেহালদশা। দৈনিক আয় বন্ধ হয়ে তারা প্রায় মরতে বসেছেন। উইমেননিউজ২৪.কম-এর কাছে কয়েকজন নারী বলেছেন তাদের কষ্টের কথা। এখানে তা উপস্থাপন করা হলো : রাজধানীর মালিবাগ বাজারে ছোট টং দোকান নিয়ে পান বিক্রি করেন মোমেনা বেগম। তিনি বলেন, হরতাল-অবরোধের কারণে ঘরের বাইরে লোক প্রায় নেই বললেই চলে। বেচাকেনা বন্ধ। এই আয় থেকে সংসার চালাই। বিক্রি না হলে খাবো কি। এসব কি যে হয় দুদিন পর পর। আর ভালো লাগে না। দেশটা কার? তাদের আমরা ভোট দেই কি এজন্য? রামপুরা বাজারে সবজী বিক্রি করেন রাহেলা আক্তার। তিনি বলেন, এই দুই দলের অরাজকতায় দেশটা শেষ হয়ে যাচ্ছে। মরণ দশা আমাদের মত গরীবদের। বেচাকেনা নেই। দোকানে বিক্রি না হলে ভাত জুটবে না। কি করবো জানি না। আমরা সুখ চাই। হরতাল-অবরোধ চাই না। প্রতিদিন যেভাবে মানুষ মরছে। আমাদের জীবন নিরাপদ নয়। আমরা নিরাপত্তা চাই। মিরপুরের পোশাকশিল্প কর্মী স্বপ্না বেগম দু:খ প্রকাশ করে বলেন, জীবনটাকে প্রতিদিন হাতে নিয়ে অফিসে যাই। সেদিন আমার সামনেই কয়েকটা ককটেল ফুঁটলো। একটুর জন্য আমি বেঁচে গেছি। সব বিপদ আমাদের গরীবের। এদিকে অফিসে না গেলে আবার বেতন কাটা যায়। কি যে করি। মরে গরীবেরা। ধনীদের কিছু হয় না। শ্যামবাজারের গৃহকর্মী সুজাতা বেগম বলেন, কয়েকটি বাসায় ছুটা কাজ করে আমার সংসার চলে। হরতাল-অবরোধের মধ্যেও কাজে যেতে হয়। না গেলে বাসাগুলোরও সমস্যা হয়। বিপদ মাথায় নিয়ে প্রতিদিন কাজে যাই। কেন রাজনৈতিক দলগুলো এমন করে কদির পর পর! তারা আমাদের কথা না ভেবে শুধু নিজেদের ফায়দার কথা ভাবে। আমি আর কখনো ভোট দিবো না। ২৪.০১.২০১৫