ঢাকা, বুধবার ১৫, জুলাই ২০২৬ ১৪:৪১:৫৪ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

বিশ্ব শরণার্থী দিবস আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ০২:৫৮ পিএম, ২০ জুন ২০১৮ বুধবার | আপডেট: ০৬:৩২ পিএম, ২০ জুন ২০১৮ বুধবার

আজ বুধবার বিশ্ব শরণার্থী দিবস। শরণার্থীদের অধিকার রক্ষায় জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর দিবসটি পালন করে আসছে।



জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা-ইউএনএইচসিআর এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে নতুন করে আশ্রয় নেওয়া ছয় লাখ ৫৫ হাজার ৫০০ রোহিঙ্গা নিবন্ধিত হয়েছে। যা বিশ্বে শরণার্থী সংখ্যার মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম।



২০ জুন আন্তর্জাতিক শরণার্থী দিবসকে সামনে রেখে প্রতি বছর ইউএনএইচসিআর-এর গ্লোবাল ট্রেন্ডস রিপোর্টটি বিশ্বব্যাপী প্রকাশিত হয় ।



মঙ্গলবার প্রকাশিত বাৎসরিক গ্লোবাল ট্রেন্ডস রিপোর্টে বলা হয়, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রাষ্ট্রহীন এবং উদ্বাস্তু রোহিঙ্গাদের আন্তর্জাতিক সুরক্ষা প্রয়োজন। গত আগস্টে মিয়ানমারে নৃশংস সহিংসতা চলাকালে বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করে। সে সময় থেকে প্রতিদিন কয়েক হাজার শরণার্থী বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে, যা বিগত দুই দশকের মধ্যে এই অঞ্চলে সবচেয়ে বড় এবং দ্রুততম শরণার্থী প্রবাহ ছিল। সেই হিসেবে কক্সবাজারের কুতুপালং, বালুখালি এখন বিশ্বের বৃহত্তম এবং সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ শরণার্থী আশ্রয়স্থল। ঘনবসতিপূর্ণ আশ্রয়কেন্দ্রে দুর্যোগময় আবহাওয়ার সময় বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি বাড়ছে।



প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, পুরো বিশ্বে ২০১৭ সালে ২৭ লাখের অধিক শরণার্থী তাদের বাড়ি থেকে অন্য দেশে পালিয়ে যায়, যাদের সিংহভাগই (৮৮ শতাংশ) মাত্র তিনটি দেশ, দক্ষিণ সুদান, সিরিয়া, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে গেছে।



প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের একটি বৃহৎ অংশ ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, একে তো সেখানে অর্ধেকের বেশির বয়স ১৮ বছরের নিচে। তার উপর আবার অর্ধেকের বেশি নারী ও মেয়ে শিশু। এছাড়াও এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত পরিবারের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে বলে শনাক্ত করা হয়েছে। যারা ১৮ বছরের নিচে আছে তাদের ভবিষ্যত ভীতও মজবুত নয়।

 

এ প্রতিবেদনে বলা হয়, বেশির ভাগ নারীই নিজ দেশে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ফলে অপরিকল্পিতভাবে সন্তান জন্মদানে শিশু জন্মের হার অস্বাভাবিক বেশি। মেয়ে শিশুর সংখ্যা বেশি থাকার কারণে তাদের সবকিছুই অনিশ্চিত। এছাড়াও অনেকে মানসিক আঘাত পেয়ে এখনও বিপর্যস্ত।



এ অবস্থায়, ইউএনএইচসিআর মিয়ানমার সরকারকে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করা, নাগরিকত্ব প্রদানসহ সব সমস্যার প্রধান প্রধান কারণগুলো চিহ্নিত করে তা দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।