জনসনের পণ্য ব্যবহারে জরায়ু ক্যান্সারের অভিযোগ আবারও
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
উইমেননিউজ২৪.কম
প্রকাশিত : ১০:২৩ পিএম, ১৬ জুলাই ২০১৮ সোমবার | আপডেট: ০৯:৫৬ পিএম, ১৭ জুলাই ২০১৮ মঙ্গলবার
মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি জনসন অ্যান্ড জনসন (জে অ্যান্ড জে)-এর বিরুদ্ধে মারাত্বক অভিযোগ উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের ২২ জন নারী অভিযোগ করেছেন, তাদের জরায়ু ক্যান্সারের পেছনে জনসন অ্যান্ড জনসন অ্যাসবেস্টস-দূষিত পাউডার দায়ী।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে জনজন অ্যান্ড জনসনের বিরুদ্ধে ৪৭০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণের রায় হয়েছে। ওই রায়ের পর এক বিবৃতিতে জে অ্যান্ড জে তাদের অবস্থান জানিয়ে বলেছে, তাদের পণ্যে কখনও অ্যাসবেস্টসের দূষণ ঘটেনি এবং তাদের পণ্য ক্যান্সারের জন্য দায়ী নয়। কোম্পানিটি এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে বলে জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবারের রায়টি জে অ্যান্ড জের বেবি পাউডারের মতো ক্যান্সারের কারণ ট্যালকভিত্তিক পণ্যের ওপর এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ক্ষতিপূরণ মামলা। উভয়পক্ষ থেকে পাঁচ সপ্তাহের বিশেষজ্ঞ সাক্ষ্য গ্রহণের পর জুরি বোর্ড মাত্র একদিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করেন।
জনসন অ্যান্ড জনসনের একজন আইনজীবী জন বেইসনার বলেছেন, আমাদের একটি বড় সমস্যা হবে, কোনটির বিরুদ্ধে আপিল করবো সেটির অগ্রাধিকার ঠিক করা।
কয়েকজন আইন বিশেষজ্ঞ বলছেন, যদিও মিসৌরিতে আগে কয়েকটি মামলায় আপিল করে জিতেছে জনসন অ্যান্ড জনসন। তবে বৃহস্পতিবার সেন্ট লুইসের সার্কিট কোর্ট যে রায় দিয়েছেন সেটির বিরুদ্ধে আপিল করতে বেশ কাঠখড় পোহাতে হবে বিশ্বখ্যাত কসমেটিকস সামগ্রী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানকে।
এদিকে বিষয়টি জে অ্যান্ড জের জন্য অনেকটাই চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেননা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্যালক সংক্রান্ত প্রায় নয় হাজার মামলা মোকাবেলা করছে তারা। ট্যালক সংক্রান্ত মামলায় আগেও বেশ কয়েকটি বড় রায় পরিবর্তনে সফলতা পেয়েছে কোম্পানিটি। এবারও এ মামলা থেকে কোম্পানিটি বেরিয়ে এলেও তাদের ইমেজ দিনকে দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। জে অ্যান্ড জের পণ্য ব্যবহার করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এমন নিত্যনতুন অভিযোগও আসছে বিভিন্ন জায়গা থেকে। এগুলোর আশু সমাধান না করা গেলে ভবিষ্যতে এ কোম্পানি বিশ্ববাজারে আধিপত্য হারাতে পারে।
খবর : রয়টার্স
