আফ্রো-এশীয় শীর্ষ সম্মেলন শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশিত : ১০:২০ এএম, ২৪ এপ্রিল ২০১৫ শুক্রবার | আপডেট: ১০:২০ এএম, ২৪ এপ্রিল ২০১৫ শুক্রবার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেনিনউজ২৪.কম, ঢাকা : ইন্দোনেশিয়ায় তিন দিনের সফর শেষে দেশে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার রাত এগারোটা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইট (বিজি -১৮৭)।
জাকার্তায় অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী আফ্রো-এশীয় শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে গত মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে রওনা দিয়ে বিকেলে ইন্দোনেশিয়া পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পরদিন ২২ এপ্রিল আফ্রো-এশীয় শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিয়ে ভাষণ দেন তিনি। ভাষণে শেখ হাসিনা বিশ্বের দক্ষিণ-দক্ষিণ দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার করার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে ক্ষুধা ও বৈষম্য, সন্ত্রাস ও সহিংস উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াই করতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।
এদিন সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী মোট পাঁচটি দেশের সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠক করেন। সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানরা ছিলেন-চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনঝো আবে, সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সেন লুং, মায়ানমারের প্রেসিডেন্ট থিন সেইন ও কাতারের উপ-প্রধানমন্ত্রী আহমদ বিন আবদুল্লাহ আল মাহমুদ। শি জিনপিং ও শিনঝো আবেসহ সব নেতাই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করেন।
এদিন প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেন ইন্দোনেশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মেঘবতী সুকর্নপুত্রীর সঙ্গেও। ২২ এপ্রিল রাতে দক্ষিণ-দক্ষিণের শীর্ষ নেতাদের সম্মানে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদোর তার বাসভবনে দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেন শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী সফরের তৃতীয় ও শেষ দিন ২৩ এপ্রিল সকালে যোগ দেন শীর্ষ সম্মেলনের মূল অধিবেশনে। সম্মেলনের চতুর্থ প্লেনারি সেশনে কো-চেয়ারের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। শেখ হাসিনার সঙ্গে এই সেশনে কো-চেয়ার ছিলেন মিশরের প্রধানমন্ত্রী ইব্রাহিম মেহলাব। এই প্লেনারি সেশনের পর প্রধানমন্ত্রী ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী ড. রামি হামদাল্লাহ, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো, নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালা, ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রৌহানির সাথে বৈঠক করেন।
বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ান প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো যেমন বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক দৃঢ় করার ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন, তেমনি অন্য রাষ্ট্র-সরকার বা প্রধানরাও বাংলাদেশের সঙ্গে সার্বিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন।
২৪.০৪.২০১৫ 