ঢাকা, বুধবার ২২, জুলাই ২০২৬ ৮:২৯:১৭ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

রাজনীতির নামে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি না করার আহবান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ০৪:৫৪ পিএম, ২৬ এপ্রিল ২০১৫ রবিবার | আপডেট: ০৪:৫৬ পিএম, ২৬ এপ্রিল ২০১৫ রবিবার

imagesস্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেনিনউজ২৪.কম, ঢাকা : দেশের সব শিশুর শিক্ষা নিশ্চিতে পদক্ষেপ নেওয়ার তাগাদা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য ক্ষতিকর কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। স্নাতক ও সমমানের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ’কোনো শিশু যেন পড়াশুনার বাইরে না থাকে। সবার ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে।’ রোববার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ‘ক্ষতিসাধন করার মতো’ রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে বিরত থাকতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন,’আমরা রাজনীতি করি মানুষের কল্যাণের জন্য। সেই রাজনীতি যখন মানুষের জীবনে অকল্যাণ বয়ে আনে সেটাই সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের। এটা রাজনৈতিক দলের নীতির ব্যাপার।’ শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সবার জন্য শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’আগে শুধু ছেলেদের বেশি করে পড়ানোর মানসিকতা ছিল। এখন এ ধরনের মানসিকতা কমে এসেছে।’ মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ’ভবিষ্যতে শিক্ষায় জেন্ডার সমতা আনতে হলে আরো বেশি করে ছাত্র ভর্তি করাতে হবে। কোনো শিশু পড়াশুনায় ফাঁকি দিচ্ছে কি না সেটা আমাদের দেখতে হবে।’ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’ডিজিটাল বাংলাদেশ আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি। আমরা প্রত্যেকটা স্কুলে স্কুলে ‘মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম’ করে দিচ্ছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে সব স্কুলে করে দিব।’ তিনি বলেন,’আমাদের ছেলে-মেয়েরা শুধু দেশে নয়, বিদেশেও মেধার প্রমাণ রাখবে। এটাই আমাদের লক্ষ্য। এদেশকে আমরা উন্নত করব। সীমিত সম্পদ দিয়েই আমরা পরিকল্পিতভাবে দেশকে গড়ে তুলতে পারি। সেটার প্রমাণ আমরা রেখেছি।’ বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটের মর্যাদা পাওয়ায় যারা সমালোচনা করেছিলেন, তাদের সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন,’আজকে আমাদের বাংলাদেশের টাইগাররা দেখিয়ে দিয়েছে, তারা পারে।’ ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তানকে ওয়ানডে সিরিজ ও টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের পরাজিত করার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,’এটাকে আমি হোয়াইটওয়াশ বলব না, এটা বাংলাওয়াশ।’ দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে ২০১০ সালে ‘প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট’ গঠন করা হয়। এক হাজার কোটি টাকা ‘সিডমানি’ দিয়ে এ ট্রাস্টের কাজ শুরু করা হয়। ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের এক লাখ ২৯ হাজার ৮১০ জন ছাত্রীকে ৭২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বৃত্তি দেওয়া হয়। ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে এক লাখ ৭৪ হাজার ৪৪৬ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ১৫ হাজার ৯৫৭ জন ছাত্র রয়েছে। ২০০৯-২০১০ অর্থবছর থেকে ২০১২-২০১৩ অর্থবছর পর্যন্ত ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের এক কোটি ৩৩ ল ৭০ হাজার শিক্ষার্থীকে দুই হাজার দুই’শো ৪৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা বৃত্তিসহ অন্যান্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ২৬.০৪.২০১৫