ঢাকা, বুধবার ২২, জুলাই ২০২৬ ৫:০৭:০০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

ফ্লাইং একাডেমির দুর্নীতিই তামান্নার মৃত্যুর কারণ : মা-বাবার অভিযোগ

প্রকাশিত : ০২:২৩ পিএম, ৫ মে ২০১৫ মঙ্গলবার | আপডেট: ০২:২৩ পিএম, ৫ মে ২০১৫ মঙ্গলবার

fileস্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, রাজশাহী : রাজশাহীর শাহ্ মখদুম বিমান বন্দরে প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত তামান্না রহমান হূদির মা বাবা অভিযোগ করেছেন,বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমির দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে তাদের মেয়েকে জীবন হারাতে হয়েছে। তাদের একমাত্র মেয়ের স্বপ্ন ঝলসে দিয়েছে একাডেমির মুনাফা লোভি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এটা ইঞ্জিনের ত্রুটি নাকি ফ্লাইট ইন্সট্রাক্টরের ভুলের জন্য হয়েছে তা এখনো রহস্যজনক। কারণে অজানা রয়েছে বলে তারা মন্তব্য করেছেন। সোমবার দুপুরে রাজশাহীর একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব কথা বলেন। তারা ইতিমধ্যে একাডেমির অবেহেলা ও গাফিলতির বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত হাতে পেয়েছেন বলে দাবি করেন। তারা বলেন,আরও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা করা হচ্ছে। সবকিছু হাতে এলেই অবহেলার অভিযোগে তারা আইনি ব্যবস্থা নেবেন। লিখিত বক্তব্যে নিহতের মা-বাবা বলেন,গত ৩১ মার্চ তামান্না সলো ফ্লাইট সম্পন্ন করে। পরের দিন তার সলো নাইট পার্টি আয়োজন করার কথা ছিলো। এরপরেও ফ্লাইট ইন্সট্রাক্টর তাকে নিয়ে বিমানে উঠলেন এবং যেখানে ৬০০ ফুট থেকে টার্ন নিয়ে অবতরণ করার কথা সেখানে করলেন মাত্র ১৮০ ফুট উপর থেকে। এতে প্রশিক্ষণ বিমানটি রানওয়েতে ঠিকমত নামতে না পেরে বাইরে ছিটকে পড়ে এবং আগুন ধরে যায়। তারা আরও বলেন,আগুন ধরার ১০ মিনিটের মধ্যে ইন্সট্রাক্টর নিজে বিমান থেকে বের হতে পারলেও তামান্না বের হতে পারেনি। সে বাঁচার জন্য চিত্কার করলেও কেউ এগিয়ে যাননি। তারা বলেন,১০ মিনিট অনেক সময়। এর মধ্যে কেন তামান্না জীবন্ত কয়লা হয়ে গেল। তারা বলেন, আর্ন্তজাতিক আইন অনুযায়ী ফ্লাইং একাডেমিসহ যে কোন এয়ারপোর্টের রানওয়েতে ২৪ ঘন্টা ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপক ও রেসকিউ টিম এবং এ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত থাকার কথা যাতে ২ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা নেয়া যায়। অথচ দুর্ঘটনার সময় শাহ্ মখদুম এয়ারপোর্টে এসবের কিছুই ছিল না। এছাড়া পুরানো এয়ার ক্র্যাফ্ট এবং ভাঙ্গা প্লেন দিয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তারা। নষ্ট সিট বেল্ট,নষ্ট হুইল, পুরোনো ক্ষয়ে যাওয়া ইঞ্জিন দিয়ে তারা এই কার্যক্রম চালাচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তামান্নার মা রেহানা ইয়াসমিন। এসময় তার বাবা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি ডা. আনিসুর রহমান,বিএমএ রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সভাপতি ডা. তবিবুর রহমান শেখ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। ০৫.০৫.২০১৫